প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে পাকিস্তানজুরে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া, গিলগিট-বালতিস্তান, আজাদ জম্মু কাশ্মীর ও পাঞ্জাব। দুর্যোগে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, গবাদিপশু, সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গুজরানওয়ালা ও সিয়ালকোটসহ বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বৃষ্টিপাতের কারণে পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ার পর সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ে।
মারালা ও খানকি হেডওয়ার্কসকে মাঝারি মাত্রার বন্যা ও কাদিরাবাদকে নিম্নমাত্রার বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে পাঞ্জাব প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ)।
খাইবার পাখতুনখোয়ায় আকস্মিক বন্যা ও বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ২০ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে পাঞ্জাবে মারা গেছে ১৭ জন। এছাড়া কেপি, গিলগিট-বালতিস্তান ও আজাদ কাশ্মীরে ভূমিধসে সড়ক, বসতবাড়ি ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই শুরু হওয়া বর্তমান বৃষ্টিপাতের ধারা ২৩ জুলাই পর্যন্ত খাইবার পাখতুনখোয়ায় অব্যাহত থাকতে পারে।
সর্বশেষ উত্তর ওয়াজিরিস্তানের তোচি নদীতে আকস্মিক বন্যার পানিতে ভেসে দুই ব্যক্তি নিহত হন।
এর আগে আপার সাউথ ওয়াজিরিস্তানের সারারোগা তহসিলে বাড়ির ছাদ ধসে একই পরিবারের দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়।
সূত্র: ডন
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


