নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব পদপ্রার্থী ও ইকুয়েডরের কূটনীতিক ইভোনে বাকি। বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের জনসংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়লেও নিরাপত্তা পরিষদ সেই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। এর ফলে পরিষদে প্রায়ই অচলাবস্থা তৈরি হয়।
বাকি বলেন, জনসংখ্যার অংশ কমে গেলেও কিছু মহাদেশ স্থায়ী আসন ধরে রেখেছে, অথচ দ্রুত বর্ধনশীল আফ্রিকার কোনো স্থায়ী আসন নেই। তার মতে, এ বৈষম্যই নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি করছে।
৭৫ বছর বয়সি বাকি ইকুয়েডরের সাবেক মন্ত্রী এবং ফ্রান্স, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের কথাও তিনি এরআগে স্বীকার করেছেন।
মহাসচিব হলে শুধু নিউইয়র্কে বসে প্রশাসনিক কাজ নয়, যুদ্ধ ও সংঘাতপূর্ণ এলাকাতেও সরাসরি কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন বাকি। ইউক্রেন ও গাজা যুদ্ধসহ বিভিন্ন সংঘাতের সমাধানে নারীদের আরো বেশি সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার বাকির মনোনয়ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দিয়েছে টোঙ্গা । এর মধ্য দিয়ে মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটজনে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল বাশেলেত, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল এবং ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা।
নতুন মহাসচিবের নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর। নির্বাচিত মহাসচিব ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
সূত্র: আনাদোলু
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


