সরকারের সব দপ্তরে চিঠি চালাচালি হয়েছে। হয়েছে একাধিক বৈঠক। অর্থসংকটের বিষয়টি উঠেছে জাতীয় সংসদেও। তবুও অর্থের দেখা মিলছে না জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের। ছয় মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মেলেনি ঈদ বোনাসও। নিম্নস্তরের কর্মচারীদের অতিরিক্ত কাজের ওভারটাইম বিলও বকেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ লাখ টাকা।
অফিস ভাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন খাতে বকেয়া রয়েছে আরো ৪১ লাখ টাকা। দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে ৭০ লাখ টাকা ঋণ। এর বাইরে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের দেওয়া প্রতিশ্রুত সহায়তা দিতে প্রয়োজন আরো ২৬৩ কোটি টাকা।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আর্থিক সহায়তার আশায় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দফায় দফায় সাক্ষাৎ ও একাধিক বৈঠকও করেছেন। এর বাইরে সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ চেয়েও তিনবার আবেদন করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের থেকে অনুদান পেতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের দ্বারস্থ হলে তার পরামর্শে বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপনও করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের দাবি, এসব উদ্যোগের পরও এখন পর্যন্ত নতুন কোনো অর্থ সহায়তা পাওয়া যায়নি।
ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর আমার দেশকে বলেন, জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করতে পারছেন না তারা। তার আশঙ্কা, সরকার হয়তো ফাউন্ডেশনটিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘনিষ্ঠ মনে করছে। সেজন্যই দূরে ঠেলছে ফাউন্ডেশনকে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের তরফ আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সরকারের সংশ্লিষ্টরা এ ফাউন্ডেশনকে ‘এনজিও’ বলে আখ্যায়িত করেছে। বেতন বকেয়া ৯২ লাখ
চলতি বছরের মার্চ থেকে বেতন পাচ্ছেন না জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে ওভারটাইমের টাকা ও ঈদ বোনাসও দেওয়া হয়নি। ছয় মাসে তাদের মোট বকেয়া প্রায় ৯২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে মূল বেতন ৭৮ লাখ টাকা, ঈদ বোনাস সাড়ে ছয় লাখ এবং বোনাস সাত লাখ ৮০ হাজার টাকা। বোনাসের পরিমাণ বেতনের অন্তত ১০ শতাংশ।
অফিস ভাড়া-রক্ষণাবেক্ষণ বকেয়া ৪১ লাখ
অফিস ভাড়া, মেইনটেন্যান্স ফি, ইউটিলিটি বিল ও বিভিন্ন পণ্য-সেবা সরবরাহকারীর পাওনা মিলিয়ে ফাউন্ডেশনের বকেয়া হয়েছে প্রায় ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে অফিস ভাড়া ৩৩ লাখ, ইউটিলিটি বিল চার লাখ এবং ভেন্ডর পেমেন্ট দেড় লাখ টাকা।
এছাড়া আড়াই লাখ টাকা বকেয়া থাকায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারটির নবায়ন করাও সম্ভব হয়নি। ফলে এখন বিভিন্ন বিনামূল্যের সফটওয়্যার ব্যবহার করে কাজ চালানো হচ্ছে।
দৈনন্দিন ন্যূনতম খরচ মেটাতেও প্রতিষ্ঠানটিকে ঋণ করতে হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৭০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফাউন্ডেশনের মূল তহবিল থেকে গভর্নিং বডির অনুমোদন নিয়ে ৬০ লাখ টাকা এবং সিইও কামাল আকবর ব্যক্তিগতভাবে ১০ লাখ টাকা ঋণ দিয়েছেন। দিনদিন প্রতিটি খাতের বকেয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।
ওয়াদা রক্ষায় প্রয়োজন আরো ২৬৩ কোটি
জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের জরুরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন। এ জন্য মোট প্রয়োজন ছিল ৩৬৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে অন্তর্বর্তী সরকারের ত্রাণ তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকাসহ বিভিন্ন উৎসের অনুদান মিলিয়ে ফাউন্ডেশন পেয়েছে মোট ১২৫ কোটি টাকা।
এর মধ্যে ৮৩১ শহীদ পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ৪২ কোটি টাকা এবং ৬,১২৭ আহত জুলাই যোদ্ধাকে শ্রেণিভিত্তিক মোট ৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে জরুরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অবশিষ্ট রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। এই অর্থ থেকে আর্থিক সংকটে থাকা ফাউন্ডেশনের জরুরি ব্যয় মেটাতে গভর্নিং বডির অনুমোদনে ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট শহীদ পরিবার এবং ৯,৭৭৬ আহত জুলাই যোদ্ধাকে সহায়তা দিতে আরো ২৬৩ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানান সিইও কামাল আকবর।
অন্তত তিনবার নির্ধারিত ব্রিফিং বাতিল
ফাউন্ডেশনের বর্তমান অবস্থা ও কার্যক্রম তুলে ধরে অর্থসহায়তা চাওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্রিফিংয়ের সময় চাওয়া হয়। অন্তত তিনবার সময় নির্ধারণ হলেও সবারই ব্রিফিং বাতিল হয় বলে দাবি ফাউন্ডেশনের।
কামাল আকবর বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ১৫টির বেশি চিঠি চালাচালি এবং প্রায় সাত-আটবার আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে। গত ছয় মাসে অন্তত পাঁচটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মন্ত্রীর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করেও শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা করার সুযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঁচ চিঠি
ফাউন্ডেশনের দাবি, বিএনপি সরকার গঠনের পর গত ছয় মাসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অন্তত চারটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়েও সহায়তা চেয়ে গত ২০ জুলাই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির অগ্রগতি জানতে নিয়মিত যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত অর্থ সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে জানান কামাল আকবর।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক একাধিক বৈঠক ও যোগাযোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবারই বকেয়া ও অন্যান্য সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতি বৈঠকেই তিনি বলছিলেন, দেখছি, আচ্ছা। ফাউন্ডেশনের রিইমবার্সমেন্টের বিষয়েও প্রতিমন্ত্রী অবগত ছিলেন। বিষয়টি তিনি তার কাছে দিতে বলেছিলেন। এই সংক্রান্ত চিঠিটি আমি নিজে তার হাতে দিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু পরে তার কোনো রেসপন্স পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চেয়েও পাওয়া যায়নি সাড়া
ফাউন্ডেশনের বর্তমান অবস্থা ও অর্থসহায়তার প্রয়োজন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২৯ জুলাই, ৩ আগস্ট ও ১০ আগস্ট- তিন দফা চিঠি পাঠানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি বলে জানান কামাল আকবর।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয় ও সচিবালয়ে গিয়েছি। কিন্তু সেখানে আমলাতান্ত্রিক বলয়ের কারণে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়নি। নানা মাধ্যমে নানাভাবে আমাদের কথা জানানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সাক্ষাৎ বা সহায়তা কোনোটিই পাইনি। এমনকি আমাদের প্রোগ্রামে প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে অতিথি করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী আমাদের সম্পর্কে জানবেন, আমাদের প্রয়োজনটুকু বুঝবেন।
সংসদে উত্থাপন করেও মেলেনি সহায়তা
অর্থসংকটের বিষয়টি জাতীয় সংসদেও উত্থাপন করিয়েও কোনো সুফল পায়নি ফাউন্ডেশন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে চিঠি দেওয়ার পর তিনি সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি উত্থাপনের পরামর্শ দেন। পরে জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগমের মাধ্যমে বিষয়টি সংসদে উত্থাপিত হলে তা আলোচনায় আসে। এ সময় তিনি ফাউন্ডেশনটিকে সমাজকল্যাণ অথবা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি ও অর্থ সহায়তা দেওয়ার দাবি জানান। তার বক্তব্যকে সমর্থন করে উত্থাপিত প্রত্যেকটি দাবিকে নিজেদের দাবি বলে উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সিইও কামাল আকবর বলেন, এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামও বিষয়টি সমর্থন করেন এবং সরকারদলীয় পর্যায় থেকেও প্রয়োজন মেটানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি।
রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ নিয়ে সিইওর আশঙ্কা
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল আকবর আক্ষেপ করে বলেন, সংসদে আলোচনা, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়—সব পর্যায় থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়ার পরও অর্থ সহায়তা না পাওয়ার পেছনে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ থাকতে পারে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন খাতে যাচ্ছে। এখানে তো মাত্র সামান্য কিছুর বিষয়।
তার ভাষায়, ফাউন্ডেশনটি এনসিপি-ঘেঁষা—এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে থাকা কয়েকজন ছাত্রনেতা পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় এ ধারণা তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তবে তার দাবি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অনুমোদিত ও স্বাক্ষরিত গঠনতন্ত্রের প্রথমেই ফাউন্ডেশনকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোনো সদস্য রাজনৈতিক দল বা রাজনীতিতে যোগ দিলে তিনি ফাউন্ডেশন থেকে অব্যাহতি নেবেন। রাজনীতিতে যাওয়া ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে অব্যাহতি নিয়েছেন বলেও জানান তিনি। সুতরাং কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই জুলাই-আগস্টের সব শহীদ ও আহত পরিবারের জন্য এটি একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম। সবার উচিৎ এটির কল্যাণে এগিয়ে আসা।
কামাল আকবর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য। অর্থসংকটের মধ্যেও সেই দায়িত্ব পালন করে যেতে চান তারা।
মন্তব্য করতে চায় না সরকার
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের নিয়ে কাজ করছে। এ কারণে সহায়তার আশায় বারবার এ মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ হয়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।
তবে বারবার যোগাযোগের পরও কেন ফাউন্ডেশনকে কোনো সহায়তা দেওয়া হয়নি এবং নির্ধারিত ব্রিফিং বাতিল হয়েছে এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শাকিলুজ্জামানের মাধ্যমে তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, তিনি অফিসে আছেন। বিষয়টি তার একান্ত সচিব শেখ আরিফুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি প্রশ্ন পাঠাতে বলেন। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানোর পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না। এ সময় শেখ আরিফুল ইসলাম বলেন, আগের সরকার কাকে কী দিয়েছে, না দিয়েছে— সেটা তো আর এই সরকারের বিষয় না। এটা (ফাউন্ডেশন) একটা এনজিও। এটা নিয়ে তিনি কোনো কমেন্ট করবেন না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

