দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এখনো মানসম্মত সেবার অভাব রয়েছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে চিকিৎসাসেবার বৈষম্যও বড়। সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপের সঙ্গে রয়েছে জনবল সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতা। স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের একটি অংশ বছর শেষে অব্যবহৃত থেকে যায়। অন্যদিকে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
এমন বাস্তবতায় স্বাস্থ্য খাত আধুনিকায়ন এবং মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি সরকার। গত ছয় মাসে বাজেট বৃদ্ধি, ই-হেলথ কার্ড, ই-প্রেসক্রিপশন, জনবল নিয়োগ, প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং উপজেলা ও জেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে হাম ও ডেঙ্গু। হামের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৯৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে বাড়ছে ডেঙ্গুর উদ্বেগও। ফলে উদ্যোগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি এসব সংকট সামাল দিতে চাপের মুখে পড়েছে সরকার।
জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাবে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা গভীর হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছর এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নানা সীমাবদ্ধতার প্রভাবও এখনো রয়েছে। এগুলো পেরিয়ে স্বাস্থ্য খাতকে কার্যকর করতে নতুন সরকারকে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। অবশ্য এসব উদ্যোগের সুফল পেতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে জবাবদিহি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি বলেও মত দিয়েছেন তারা।
এদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের পরিকল্পনার মধ্যেই গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুদের চাপ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় টিকা গ্রহণের বয়সসীমা ৯ থেকে কমিয়ে ছয় মাস করা হয়। এক মাসে দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়। তবে পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি।
প্রায় ছয় মাসে হাম ও হামজনিত জটিলতায় ৯৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯৭ জন। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার পেছনে কারো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠলেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই নতুন করে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও।
ছয় মাসের অগ্রগতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। এর আগে দলের ইশতেহারে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য ব্যয় কমানো, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা, নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং জেলা-উপজেলায় চিকিৎসা অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রত্যেক নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার কথাও বলা হয়।
স্বাস্থ্য খাতের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় ছিল ১২টি প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে চারটির বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন, সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদার ও অবকাঠামো সংস্কারে অগ্রগতি হয়েছে। তবে ই-হেলথ কার্ড, ই-প্রেসক্রিপশন, জনবল নিয়োগ ও পদমর্যাদা উন্নীত করার মতো উদ্যোগে এখনো প্রশাসনিক জট রয়েছে।
স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধি ও অন্যান্য
স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো সরকারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ১.০২ শতাংশ। আগের অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা বা জিডিপির ০.৫৮ শতাংশ। এবারই প্রথম স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির এক শতাংশ ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, ভালভ, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর ও ক্যানসার চিকিৎসার কাঁচামালে ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহার বা কমানো হয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতালের জবাবদিহি নিশ্চিতেও কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিল করা হয়। পরে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য কঠোর বার্তা।
‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
নগর স্বাস্থ্যসেবা এত দিন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মাধ্যমে পরিচালিত হলেও ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল হাজিরা ও ফেস রিকগনিশনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন স্থাপনা মেরামতে ১৯০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা হয়েছে। এসব কাজের ভৌত অগ্রগতি শতভাগ। ১৫টি হাসপাতালে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুতেও অগ্রগতি হয়েছে।
ই-হেলথ কার্ড চালুতে অপেক্ষা
প্রতিটি নাগরিককে ই-হেলথ কার্ডের আওতায় এনে তৃণমূলের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কার্ডটি সেন্ট্রাল ‘ইন্টিগ্রেটেড পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এর সঙ্গে থাকবে রেফারেল ব্যবস্থা। ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ই-হেলথ কার্ড চালুর লক্ষ্য থাকলেও তা এখনো শুরু হয়নি। টিএপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকায় উদ্যোগটি এখনো প্রক্রিয়াধীন। জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন ও স্বাস্থ্যসেবা অটোমেশন কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রায় ৩০ শতাংশ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) সঙ্গে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
রেফারেল ব্যবস্থায় চিকিৎসা
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় উচ্চতর হাসপাতালে সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে ডিজিটাল রেফারেল অনুসরণ করতে হবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে থাকবে ‘ইউনিয়ন হেলথ সেন্টার’ এবং শহর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ‘ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার’। প্রতিটি কেন্দ্রের অধীনে থাকবে তিনটি করে ‘হেলথ হাব’। প্রতিটি হাবে তিন থেকে চারজন স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্মীকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানো হবে তাদের প্রধান দায়িত্ব।
জনবল নিয়োগ
চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে ৫,০০০ নতুন এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবা কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ৮০ শতাংশই নারী। তারা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করবেন। এর আওতায় ১৫ হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ২,৪৭০টি মিডওয়াইফ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন ও অর্থবিভাগে পাঠানো হলেও অনুমোদন এখনো মেলেনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও নগর এলাকায় ৪৫ হাজার ৭১১টি ‘সুস্বাস্থ্য কর্মী’ পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়াও চলছে।
পাঁচ বিভাগে শিশু হাসপাতাল
খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লায় ২০০ শয্যার একটি করে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবরে পাঁচটি হাসপাতাল একসঙ্গে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ৫০ বা ১০১ শয্যার পরিবর্তে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া আট বিভাগে ক্যানসার, কিডনি ও হৃদরোগ কেন্দ্র নির্মাণে ৬৭ শতাংশ ভৌত অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ‘শিশু স্বর্গ’
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রতিবন্ধী শিশুদের শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে চালু হয়েছে ‘শিশু স্বর্গ’ মডেল। গত ১৪ মে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। বর্তমানে ২২ জেলার ২২ উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে এ সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। পাঁচ বছরের মধ্যে প্রকল্পটি সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও জাতীয় আই কেয়ার প্ল্যান ও বিশেষায়িত চক্ষুসেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় উপজেলা পর্যায়ে চক্ষু ইউনিট স্থাপন, ১০ লাখ ছানি অপারেশন, করমুক্ত সুবিধায় চোখের লেন্স সরবরাহ এবং স্কুলশিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা ও চশমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ আমার দেশকে বলেন, সরকার মাত্র ছয় মাস পার করেছে। নতুন একটি ব্যবস্থাপনার পক্ষে এত অল্প সময়ে বড় ফল পাওয়া কঠিন। তবে বাজেট বৃদ্ধি, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা এবং আটকে থাকা বিসিএস চিকিৎসকদের নিয়োগ সম্পন্ন করার মতো ইতিবাচক কাজ হয়েছে। তবে তার মতে হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, রোগীদের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের আচরণ, পরিচ্ছন্নতা ও ডায়াগনস্টিক সুবিধায় এখনো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি। আধুনিক স্বাস্থ্য সংস্কারের পরিকল্পনা ভালো হলেও রোগীকেন্দ্রিক সুবিধাগুলো দ্রুত নিশ্চিত করা জরুরি।
জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো এখনো অনেকটাই আলোচনার মধ্যে রয়েছে। আগের সরকারের নীতির ধারাবাহিকতাই চলছে। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী একটি স্বাধীন স্বাস্থ্য কমিশন গঠন করে সময়ভিত্তিক রোডম্যাপ তৈরি করা দরকার ছিল। সরকার এখনো গতানুগতিক পথেই চলছে।
গত ছয় মাসে সরকারের সাফল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত বলেন, বিগত ৫-১০ বছরে অব্যবস্থাপনা-অবহেলায় স্বাস্থ্য সেক্টরে ভগ্নদশার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে আমরা মনে করি গত ছয় মাসে এ খাতে যথেষ্ট কাজ হয়েছে। আমরা একটি সমন্বিত, সুলভ, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মানসম্মত সেবা পাবেন। সেই লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের পাঁচটি বিভাগীয় ও জেলা শহরে নবনির্মিত পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্য (পেডিয়াট্রিকস), মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি— এই চার মূল বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আমরা কেবল অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই; আমরা চাই স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত সংস্কার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


