বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জামায়াত এমপিদের

Md. Raquibul Haque
রকীবুল হক

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জামায়াত এমপিদের

সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও অনুদান বিতরণকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন এমপি ও তৃণমূল নেতার কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা বেড়েছে। একের পর এক বিতর্কে দলটির ভাবমর্যাদা প্রশ্নের মুখে পড়ায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা জোরদার, বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনপ্রতিনিধিদের জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে দলটি।

সম্প্রতি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির তাজুল ইসলাম সরকারি বরাদ্দের একটি বাইসাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে দরিদ্র পরিবারের নাতনিকে দেওয়া সাইকেলটি ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টির ব্যাখ্যা দিলেও শেষ পর্যন্ত তাকে দলীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

এর আগে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুর ঐচ্ছিক অনুদানের (২১ জনের জন্য এক লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা) তালিকায় তার মেয়ের নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠার পর তিনি নতুন তালিকা করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে অনুদান বিতরণ, ব্যক্তিগত সহকারীকে অব্যাহতি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তারপরও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা থামেনি।

এসব ঘটনার পাশাপাশি জাতীয় সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশনে জামায়াতের কয়েকজন সংসদ সদস্যের বক্তব্যও বেশ সমালোচনার মুখে পড়ে। নীলফামারী-৪ আসনের এমপি আব্দুল মুনতাকিম তার জীবিত বাবাকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হিসেবে উল্লেখ করলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরে তিনি ভুল স্বীকার করে ওই বক্তব্য সংশোধন করেন। এছাড়া সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়া ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা দেওয়ার দাবি জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের এমপি মিজানুর রহমান ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেন সরকারদলীয় সদস্যরাও।

সম্প্রতি এ ধরনের কয়েকটি বিতর্কিত ইস্যু রাজনৈতিক অঙ্গন ও মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। দলীয় এমপি ও তৃণমূল নেতাদের এসব কর্মকাণ্ডে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন জামায়াতের হাইকমান্ড ও সাধারণ নেতাকর্মীরা। এতে রাজনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দলটি। বিভিন্ন ঘটনায় বিতর্কিত নেতাদের দল বা পদ থেকে বহিষ্কারের ঘটনাও ঘটছে। অন্যদিকে নাগরিক হিসেবে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জামায়াত পরিবারের দরিদ্র সদস্যরা। এ অবস্থায় জামায়াত নেতাকর্মীদের আরো সতর্ক থাকা উচিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তবে দলীয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জামায়াত নেতাদের অনিচ্ছাকৃত বা অদূরদর্শিতার কারণে ছোট-খাটো ভুল-ত্রুটি যেমন হচ্ছে, তেমনি একশ্রেণির মিডিয়া ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এসব বিষয়কে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করছে। কিছু বিষয়ে অপপ্রচারও করা হচ্ছে। অথচ অন্যদল বা তাদের নেতাদের বড় বড় অপরাধও এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি খুব সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করছে জামায়াত। এজন্য নেতাকর্মী ও এমপিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। দলীয়ভাবে কোনো অন্যায়-অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না। ফলে দ্রুতই এই বিতর্ক কমে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আমার দেশকে বলেন, যেকোনো সংগঠনেই মানবিক ভুল হতে পারে, তবে কিছু গণমাধ্যম জামায়াতের ক্ষেত্রে ছোট ঘটনাকেও বড় করে উপস্থাপন করছে। তার দাবি, অন্য রাজনৈতিক দলের বড় ধরনের ঘটনাও অনেক সময় একইভাবে আলোচিত হয় না। প্রতিপক্ষরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে এ ধরনের কাজ করছে এবং মিডিয়ার একটি অংশ ক্ষমতাসীন দলের ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ নিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এমনকি কখনো কখনো যা ঘটেনি-এমন বিষয়ে অপপ্রচারের জবাব দিতে হয় বলে দাবি করেন তিনি।

একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, অনেকে নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, পার্লামেন্টারি নর্মস বা নিয়ম-কানুন বোঝার ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। সে কারণে দলীয়ভাবে তাদের সতর্ক করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল কমে আসে।

দলীয় সূত্রমতে, পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ব্যাপক দমন-পীড়নের শিকার হন। এ সময় দলটির প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর কার্যত নিষেধাজ্ঞা ছিল। হাজারো নেতাকর্মী নিহত, আহত, কারাবন্দি ও পঙ্গুত্বের শিকার হন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়। এছাড়া দীর্ঘদিন দলটির নিবন্ধন স্থগিত থাকার পর একপর্যায়ে দলটিকে নিষিদ্ধও করা হয়। এসব ঘটনার ফলে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতৃত্বে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়।

তবে চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে প্রাণ ফিরে পায় জামায়াত। সারা দেশে দলীয় কার্যক্রমে ব্যাপক গতি বাড়ায় তারা। দলীয় নেতৃত্বেও অনেক পরিবর্তন আনা হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৯ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৭৭ জন সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদের শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ লাভ করে দলটি। এদের মধ্যে সাতজন ছাড়া সবাই প্রথমবারের মতো এবং অনেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে সংসদ সদস্য হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দলীয় ও সংসদীয় কার্যক্রমে যথাযথ ভূমিকা রাখতে বেশ হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে।

সূত্রমতে, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের কাজের পরিধি অনেকে বেড়ে যাওয়ায় দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের দফায় দফায় নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দলীয় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীল বৈঠকের পাশাপাশি বিশেষ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন এমপিদের নিয়ে শপথের আগে-পরে বেশকিছু প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে জামায়াত। সংসদীয় দলের আলাদা বৈঠক করেও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে দলীয় নেতাদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদেরও রাখা হয়।

দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন। গত ২৬ জুন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের সর্বোত্তম নৈতিক মান ও জ্ঞান অর্জন করে সাংগঠনিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মাধ্যমে নৈতিকতা সম্পন্ন একটি সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। দায়িত্বশীলদের ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে জনগণের কল্যাণ, নৈতিকতা, জবাবদিহি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

গত ৪ জুলাই জেলা-মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবিরে তিনি বলেন, জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা একটি নেয়ামত, যা অন্য কোনো সংগঠনে নেই। এই সংগঠনের মধ্যে শৃঙ্খলা, নীতি-নৈতিকতা ও আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা রয়েছে। দীর্ঘদিনের সুনাম একটি ছোট ভুলের কারণেও ক্ষুণ্ণ হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

জামায়াতের এমপিদের নিয়ে কিছু বিষয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন দলটির আমির। গত ১ জুলাই জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে ওয়াদা করেছিলাম, আমাদের কেউ এমপি-মন্ত্রী নির্বাচিত হলে বিনা ট্যাক্সের গাড়ি ও সরকারি প্লট নেব না। কিন্তু এটার সঙ্গে ফ্ল্যাটও জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ সরকারের ফ্ল্যাট এমপিদের সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য। সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার পর কেউ এক সেকেন্ডও সেখানে থাকবে না।

সম্প্রতি দলটির সেক্রেটারি জেনারেলের স্বাক্ষরে পাঠানো একটি নির্দেশনামূলক চিঠিতে জনগণের ভোটে প্রাপ্ত দায়িত্বকে ‘আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করে সর্বোচ্চ সততা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে এমপিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে জনগণের অধিকার সংরক্ষণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার নিশ্চিত করে সংগঠনের নৈতিক অবস্থান ও জনআস্থা অক্ষুণ্ণ রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে সরকারি অনুদান, ঐচ্ছিক তহবিল বা যেকোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বিতরণের ক্ষেত্রে নিজের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, শ্বশুরবাড়ির সদস্য, ব্যক্তিগত সহকারী বা তাদের স্বজনদের অনুকূলে কোনো সুপারিশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে অভাবগ্রস্ত হলেও সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিগত সুপারিশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে বিষয়টি দলীয়ভাবে উপস্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোনো সরকারি প্যাড বা ডিও লেটার না পড়ে স্বাক্ষর করা এবং আগাম স্বাক্ষর দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

দলীয় এই নির্দেশনা ও বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার আমার দেশকে বলেন, শরিয়তের দৃষ্টিতে এমপিদের জন্য তার দুস্থ আত্মীয় বা প্রতিবেশীকে সাহায্য করা দোষণীয় নয়। আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীরাও বিপদের সময় এমপির কাছে সাহায্য প্রত্যাশা করে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে জামায়াতের প্রতি মানুষের আস্থা এবং বিরোধীদের অপপ্রচার থেকে সংগঠন ও ব্যক্তিদের হেফাজতের জন্য তারা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এ পদক্ষেপকে কিছুটা ‘কড়াকড়ি বা বাড়াবাড়ি’ মনে করলেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে তারা এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে জানান।

এদিকে দলীয় শৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নিতেও দেখা গেছে। গত ২৩ জুন ধানমন্ডিতে জামায়াতের মিছিল-পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে দলটির কিছু কর্মীর অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দলটির কেন্দ্র ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ এবং পরে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে চারজনকে বহিষ্কার করা হয়।

এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ বিভিন্ন কারণে খুলনার পাইকগাছার ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ গত ৫ জুলাই মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান ও সদর উপজেলার দুই রোকনকে (সদস্য) দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বহিষ্কারের কথা জানা গেছে।

জামায়াতের বিভিন্ন বিষয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী আমার দেশকে বলেন, দলটির কেউ দুর্নীতি করলে তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। তবে দলের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা ভালো উদ্যোগ। একইসঙ্গে বিএনপিরও যারা চাঁদাবাজি-দুর্নীতি করছে, তাদের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি মিডিয়ার সমালোচনা করে বলেন, তারা ক্ষমতাসীনদের তোষামোদি করে, এ রকম মিডিয়া দিয়ে কী হবে?

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলেজশিক্ষক ওয়ালী উল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, জামায়াতের কাজের পরিধি ও লোকজন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে কথা বলতে ও কাজ করতে গিয়ে কিছু ভুল হচ্ছে। এটাকে আবার মিডিয়ায় বেশি প্রচার করা হচ্ছে। অথচ, অন্য এমপি-মন্ত্রীরা দুর্নীতি-লুটপাট করলেও সেদিকে মিডিয়ার তেমন নজর নেই। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াতের নেতাকর্মীদের আরো সতর্ক থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন