আহমাদ সাব্বির

বাংলাদেশের রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরে ‘তত্ত্ব’ শব্দটি প্রায়ই একটি নেতিবাচক অর্থবহ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ‘তত্ত্ব কপচানো’—এই জনপ্রিয় বাক্যবন্ধে তত্ত্বচর্চাকে হালকাভাবে দেখার প্রবণতা স্পষ্ট। তত্ত্বকে কখনো নিছক বুদ্ধিবৃত্তিক বিলাসিতা, কখনো ইউরোপীয় চিন্তার অন্ধ অনুকরণ, আবার কখনো এমন

‘হোয়াই নেশনস ফেইল’ গ্রন্থে দারোন অ্যাসেমোগলু ও জেমস এ. রবিনসন পুরোনো গল্পকেই নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করেছেন। নিওলিথিক বিপ্লব থেকে শুরু করে আধুনিক বিশ্বের আরব বসন্ত পর্যন্ত মানব ইতিহাসের দীর্ঘ সময়জুড়ে ছড়িয়ে থাকা নানা সভ্যতা, রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার উত্থান-পতনের ব্যাখ্যা তারা দিয়েছেন।

মানুষের ভাষার যেমন ইতিহাস আছে, কবিতারও আছে এক গভীর আরম্ভ-বিন্দু। ভাষা শুধু মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম নয়—এটি মানুষের অভিজ্ঞতা, চেতনা, আকাঙ্ক্ষা, রূপান্তর ও সভ্যতার নীরব দলিল। ভাষাকে বলা যায় মানব ইতিহাসের ছায়ালিপি। আর সেই ভাষাকে সবচেয়ে জীবন্ত, স্পর্শকাতর ও বিশুদ্ধ আবেগে রূপ দেন কবি।