এবাদুর রহমান

নিজ কওমের সমালোচনা খঞ্জর দিয়ে নিজের রানের গোশত কাটার মতোই কষ্টকর। কিন্তু আফসোস যে, আমরা আমাদের সেরা মানুষগুলোকে এই সমাজে রাখতে পারি না। কারণ বাংলাদেশে জ্ঞানী মানুষকে পদে পদে আপস করতে হয়, জনরুচির বাহক হতে হয়, নইলে বেইজ্জতির শেষ নাই; আর কেউ যদি এক বিষয়ের বিশেষজ্ঞ না হয়ে বহু বিষয়ে গভীর জানাশোনা রাখেন

১৯৩০ ঈসায়ী, ২৯ ডিসেম্বর, আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের জীবন ও এই উপমহাদেশের ইতিহাসে একটা ওয়াটারশেড মুহূর্ত হইতেসে এলাহাবাদে, ওল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অধিবেশন; এই অধিবেশনে প্রদত্ত তার ভাষণে ইকবাল প্রথমবারের মতো উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলিকে একত্রিত কইরা একটি স্বতন্ত্র মুসলিম রাষ্ট্র

বর্ষাবিপ্লব শুধু একটা রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি এক প্রচণ্ড ঐতিহ্যবাদী অভ্যুত্থান, যা লিব্র্যাল উদার আধুনিকতার ভাষায় ‘গণতান্ত্রিক রূপান্তর’ বা ‘স্বৈরাচারবিরোধী প্রতিবাদ’ বলে সীমাবদ্ধ করা যায় না। এর তিন মৌলিক চরিত্র এটিকে আলাদা কইরা দেয়।

৩৬ জুলাই কি বর্ষাবিপ্লবের শুরু ছিল, নাকি, যেমন অনেক শাহবাগি বুদ্ধিজীবী বলতেসেন, এইটা ছিল বিদেশি অর্থায়নে পুষ্ট ছাপড়িদের কমান্ডে বস্তি বিদ্রোহের চূড়ান্ত পরিণতি? আর বুদ্ধিজীবী মানেই বাই ডিফল্ট ‘শাহবাগি’ কেন আমাদের মুল্লুকে? কারণ, ‘শাহবাগ = মুক্তিযুদ্ধের চেতনা + বাঙালি জাতীয়তাবাদ’।

বুদ্ধদেব বসু তার বিখ্যাত রিলকে অনুবাদ সংকলনে এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত করেননি—সম্ভবত কবিতাটির ইসলামি তাৎপর্য তার আয়ত্তে না থাকায়; অথবা Mohammeds Berufung বুদ্ধদেব বসুর কাব্যিক রুচির এত সুদূরে ছিল যে, এই কবিতা ধারণ করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না।