এম এ নোমান, নিউ ইয়র্ক থেকে

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশে চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং সংস্কার উদ্যোগে তার পূর্ণ সমর্থন ও সংহতির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অঙ্গীকার করেন।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সাতটি প্রস্তাব পেশ করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় এ সম্মেলন শুরু হয়।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় এ সম্মেলন শুরু হয়।

দেশ ও জাতি পুনর্গঠনে সহযোগিতা এবং সক্রিয় অবদান রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশ গঠনে সবার ভূমিকা থাকবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দূরে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখব, এমনটা হবে না। গ্যালারিতে বসে দেখার দিন শেষ। আমরা এখন

জাতিসংঘের সামনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে হেনস্তা করতে বিভিন্ন দেশ থেকে দলবল নিয়ে নিউ ইয়র্কে এসে ঘাঁটি গেড়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা নিঝুম মজুমদার।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ড. ইউনূস দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। দুনিয়াজোড়া তার সুনাম। তিনি দেশকে একটি কাঙ্ক্ষিত মানে দেখতে চান। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেরও চাওয়া ছিলো। আমি ড. ইউনূসের মাঝে আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ড. ইউনূস দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। দুনিয়াজোড়া তার সুনাম। তিনি দেশকে একটি কাঙ্ক্ষিত মানে দেখতে চান। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেরও চাওয়া ছিলো। আমি ড. ইউনূসের মাঝে আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতির পুনর্গঠন প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই যোদ্ধারা দেশ গঠনে আমাদের যে সুযোগ করে দিয়েছেন, তা কাজে লাগাতে হবে। আমরা যাতে দেশকে কারো কাছে বন্ধক (মরগেজ) না দেই, যেটা পতিত স্বৈরাচার

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে সদর দপ্তরের সামনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতা আহত হন এবং আরো কয়েকজন নাজেহাল হন।

প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার গণহত্যার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এ গণহত্যা চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। তিনি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ সমস্যার দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এখনই

রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। সূচি অনুযায়ী নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা) অধিবেশন শুরু হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা দিনের ১০ম বক্তা হিসেবে ভাষণ দেবেন।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখবেন। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে বিগত এক বছরে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সংস্কার ও আগামী দিনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি ...

ভারতে পালিয়ে থাকা পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্ক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। দলের নেতাকর্মীদের তিনি বলেন, কেউ যেন অক্ষত ফিরতে না পারে।

জাতিসংঘের সামনে শুক্রবার বিশাল শোডাউন করবে যুক্তরাষ্ট্র শাখা বিএনপির নেতাকর্মীরা। এদিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস ভাষণ দেবেন। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতা এবং সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা অংশ নেবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জেএফকে বিমানবন্দরের পর এবার হোটেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

বাংলাদেশের মানুষ গত তিন নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে ভোট দিতে মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে।

যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সফরসঙ্গী রাজনৈতিক নেতাদের ওপর নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা। বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীরা ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় সময় সোমবার বিকালে নিউ ইয়র্ক জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে ন্যক্কাজনক হামলা চালায়।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যোগ দেন। মঙ্গলবার তার সাথে ছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং লামিয়া মোরশেদ।

নিউ ইয়র্কে জেএফকে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলাকারী এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মিজানুর রহমান। তিনি যুবলীগের নেতা। স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯টার দিকে যুবলীগের এই নেতাকে পুলিশ জ্যাকসন হাইটস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, শেখ হাসিনার গুলি আমাদের দমাতে পারেনি, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদের হামলা আমাদের দমাতে পারবে না। বাংলাদেশের মাটিতে স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার বিচার অবশ্যই হবে।

বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। স্থানীয় সময় সোমবার বেলা তিন টায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে পৌঁছালে তারা এ হামলার শিকার হন।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার বেলা তিন টায় ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে নির্ধারিত হোটেলে যান প্রধান উপদেষ্টা। এবারই প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে পাঁচ রাজনৈতিক নেতা।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সৃষ্ট মানবিক সংকট ও বিপর্যয়, গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে হবে মূল আলোচনা। এছাড়া গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার আহ্বানও থাকবে বিশ্বনেতাদের কণ্ঠে। বাংলাদেশ তুলে ধরবে রোহিঙ্গা সংকট ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার বিষয়।

২৬ সেপ্টেম্বর প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখবেন। তিনি বক্তব্যে গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে বিগত এক বছরে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সংস্কার ও আগামী দিনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সত্যিকারের রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় তুলে ধরবেন।