মাহমুদ আহমাদ

সোনারগাঁয়ের পানাম বাজারের যেখানটায় প্রতিদিন সকালবেলা চাষিরা মাঠ থেকে তোলা বহু ধরনের শাক আর তাজা সবজি নিয়ে সাড়ি দিয়ে বসে, সেখান থেকে একটু পশ্চিমে এগোলে লাল ইটের একটি সেতু দেখা যায়। মানুষ চলাচলের উপযোগী হলেও এক ধরনের পরিত্যক্ত পড়ে আছে সেতুটি।

সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য ও পরম্পরাগত ঐতিহ্য বিনির্মাণের লক্ষ্যে ইসলামে ‘ঈদ-উৎসব’ প্রবর্তন করা হয়েছিল। আরবিতে ‘ঈদ’ শব্দের অর্থ ব্যাপক। এই শব্দের মধ্যে সম্মিলন, আয়োজন, প্রত্যাবর্তন ও উদ্যাপনের অর্থ রয়েছে।

দ্বিতীয় হিজরির ঘটনা। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনায় আগমনের দ্বিতীয় বছর। তিনি মদিনায় এসে দেখলেন–স্থানীয় লোকেরা নিজস্ব রীতি-নীতি এবং পদ্ধতিতে প্রতি বছর দুটি উৎসব পালন করে। একটি হলো নওরোজ অন্যটি মেহেরজান। এই দুটি উৎসবকে কেন্দ্র করে তারা এমন কিছু

অমর একুশে বইমেলা শুরু হয়েছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। নানা জটিলতা, প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতা এবং এক শ্রেণির প্রকাশকদের অনাগ্রহ ও আপত্তি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত শুরু হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বইয়ের উৎসব। প্রতিবছরের মতো এবারও বইপ্রেমী মানুষের প্রাণের টানে জমে উঠেছে মেলার পরিবেশ।

শাহ ইসমাইল গাজীর দরগা চিহ্নিতকরণ ও পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ এবং সতেরো শতকে রচিত তার জীবনীগ্রন্থ রিসালাতুশ শুহাদার পাঠোদ্ধার। প্রবন্ধের শুরুতে তিনি শাহ ইসমাইল গাজীর দরগা চিহ্নিত করেছেন। ড্যামান্ট বলেছেন, “রংপুর জেলায় শাহ ইসমাইল গাজীর স্মরণে চারটি দরগাহ বা মাজার নির্মিত হয়েছে।

একজন মানুষের জীবনের মূল লক্ষ্য হলো, আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস করা, তার ইবাদত করা এবং তার ইবাদাতের পথে প্রতিবন্ধক হয় এমন সব বাধা দূর করার চেষ্টা করা। আর ইসলামে জিহাদের বিধার প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্যও ছিল এটা। এই লক্ষ্য পূর্ণ ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য আল্লাহর রাসুল (সা.) সর্বতোভাবে চেষ্টা করেছেন।

সাহাবিদের আপত্তি কিংবা আনসারদের দাবিÑকোনোটিই খলিফা আবু বকরকে সিদ্ধান্তচ্যুত করতে পারেনি। জীবনের অন্তিম প্রহরে উসামা ইবনে জায়েদের নেতৃত্বে ফিলিস্তিন ও বালকার অভিমুখে যে সৈন্যবাহিনী প্রেরণের সিদ্ধান্ত আল্লাহর রাসুল (সা.) গ্রহণ করেছিলেন, খলিফা আবু বকর (রা.) তা বাস্তবায়নে অটল ও অবিচল রইলেন।

শাবান মাসের চতুর্দশ দিবসে পালিত মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব হলো শবেবরাত। ইসলামের ইতিহাসে নববি যুগ থেকেই এ রাতের তাৎপর্য আলোচিত হয়ে আসছে। এ রাতে ইবাদত-বন্দেগিতে মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে ক্ষমা ও রহমত লাভের সুসংবাদও এ রাতকে ঘিরে বর্ণিত হয়েছে। দুই ঈদের পর এটি

মুসলিম শাসনামলে বাংলার সমাজকাঠামো ছিল বহুলাংশে মসজিদকেন্দ্রিক। সে সময় মসজিদ শুধু ইবাদতের স্থানই নয়, বরং সমাজ জীবনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করত। নামাজ, জিকির ও অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি মসজিদই ছিল মানুষের শিক্ষাগ্রহণের প্রথম ও মৌলিক পাঠশালা। ধর্মীয় জ্ঞান, নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক মূল্

অষ্টম হিজরিতে মক্কা বিজয়ের পর বিভিন্ন গোত্রের প্রতিনিধি নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। তারা ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করেন। ফলে অতি দ্রুত ইসলাম মদিনার বাইরে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ১০ হিজরিতে বিদায় হজের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে ও বিদায় হজ থেকে ফিরে এসে আল্লাহর রাসুল (সা.) ইসলাম

অন্যান্য খলিফার তুলনায় আবু বকর (রা.)-এর শাসনকাল ছিল অনেক সীমিত। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য খিলাফত রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার শাসনামলে খিলাফত রাষ্ট্রের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল না। শাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করেই তাকে ধর্মদ্রোহ ও রাষ্ট্রদ্রোহের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয়েছে। এরপর ইরাক

হিজরতের পরে আল্লাহর রসুল মদিনায় একটি স্বতন্ত্র মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মদিনা রাষ্ট্রের একক কার্যনির্বাহী ছিলেন এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিচার ও ফয়সালার দায়িত্ব একাই পালন করতেন। কখনো কখনো তিনি সাহাবিদের সঙ্গে পরামর্শ করেও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতেন।

নবীজি (সা.)-এর ইন্তেকালের পর খেলাফত রাষ্ট্রের শাসনভার গ্রহণ করেন খুলাফায়ে রাশেদিন। পারিভাষিকভাবে খুলাফায়ে রাশেদিন অর্থ চারজন নীতিবান ও সুপথপ্রাপ্ত সাহাবীর শাসন— আবু বকর সিদ্দিক, ওমর ফারুক, ওসমান গনী এবং আলী ইবনু আবু তালিব (রা.)। আবু বকর সিদ্দিকের মাধ্যমে খুলাফায়ে রাশেদিনের শাসন শুরু হয়। শেষ হয় আলী

আলবেনিয়ার বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ইসমাইল কাদারেকে অভিহিত করা হতো বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ইউরোপীয় সাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে । দীর্ঘ ৬০ বছরের সাহিত্যিক জীবনে ইসমাইল কাদারে উপন্যাসের পাশাপাশি কবিতা, প্রবন্ধ ও বেশ কিছু নাটক রচনা করেছেন।