আজাদ ভূঁইয়া, নোয়াখালী

নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীগন বিজয়ী হয়েছেন। একটি আসনে জয় পেয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে নোয়াখালী জেলাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশায় মুখর এ জনপদ। ছয়টি আসনের সবকটিতে হেভিওয়েট প্রার্থী নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি; হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধারে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অন্যদিকে সংগঠিত ও নিরবচ্ছিন্ন প্রচারের মাধ্যমে জয়

নোয়াখালী চিফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংবেদনশীল স্থান হাজতখানার ভেতরে পরিবারসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতার ‘বেয়াইখানার’ (বর ও কনের বাবাকে আপ্যায়নের) আয়োজন করা হয়েছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও আমার দেশ-এর হাতে এসেছে।

নোয়াখালীতে ছয়টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ৪৭ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া বেশিরভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে হেভিওয়েট কোন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনের সবগুলোতেই বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেছেন।

জেলার ৯ উপজেলা নিয়ে ছয়টি সংসদীয় আসন গঠিত। এখানে এবার জামায়াতের পাশাপাশি খেলাফত মজলিসও কয়েক জায়গায় একক প্রার্থী দিয়েছে। তবে হাতিয়া ছাড়া কোথাও তৎপরতা নেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের