আলী ওসমান শেফায়েত

আল্লাহতায়ালা আমাদের ইবাদতের জন্য মসজিদকে মনোনীত করেছেন। মসজিদ হলো আল্লাহর ঘর, যার মূল সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে, সেখানে মুসল্লিদের উপস্থিতি, কাতারবদ্ধ ইবাদত এবং আল্লাহর জিকিরের মাধ্যমে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়—বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে মসজিদকে সুসজ্জিত ও জাঁকজমকপূর্ণ করাকে অনেকে ‘ফ্যাশন’ বা প্রতিযোগ

বর্তমান বিশ্ব এক ভয়াবহ ও জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে জায়নবাদী সাম্রাজ্যবাদ ও আঞ্চলিক আধিপত্যবাদের নগ্ন আস্ফালন, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে পরিকল্পিত ‘ইসলামোফোবিয়া’ বা ইসলামভীতি ছড়িয়ে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই দ্বিমুখী সংকটের মধ্যে সবচেয়ে শোচনীয় ও কলঙ্কিত ভূমিকা পালন করছে একশ্রেণির করপোরেট ও

বাংলার জনপদে একটি অতি পরিচিত গ্রাম্য উপমা আছে—‘লোম বাছতে কম্বল উজাড়।’ কাজটির নিরর্থকতা ও মূর্খতা বোঝাতে এর চেয়ে ধারাল উদাহরণ আর হয় না। লোম বা পশমই কম্বলের মূল উপাদান, যা তাকে অবয়ব, স্থায়িত্ব ও পরম উষ্ণতা দেয়। এখন কেউ যদি ‘বিশুদ্ধতার’ দোহাই দিয়ে সেই পশমগুলো একটি একটি করে উপড়ে ফেলতে শুরু করেন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কালপঞ্জিতে ১৯৮১ সালের মে মাস শুধু ক্যালেন্ডারের একটি পাতা নয়, বরং এটি সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয়তাবাদী একজন নেতার ট্র্যাজিক মৃত্যুকে স্মরণ করার মাস। এ মাসেই বাংলাদেশ তার ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ককে হারিয়েছে।

জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমতা নিশ্চিত করার বিষয়টি কেবল একটি আদর্শিক আলোচনা নয়; এটি একটি রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধারণ করে, তার সবচেয়ে বড় ব্যবহারিক মাপকাঠি।

ভূরাজনীতির দাবা খেলায় বাংলাদেশ আজ শুধু কোনো ক্ষুদ্র ঘুঁটি নয়, বরং এক শক্তিশালী খেলোয়াড়। বাংলাদেশ আজ তার কৌশলগত অবস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জনশক্তিসহ বিভিন্ন কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে।

ইসলামী শরীয়তে বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন যা শুধুমাত্র একজন পুরুষ (স্বামী) এবং একজন নারীর (স্ত্রী) মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর মৌলিক ধারণা কুরআন ও সুন্নাহর অকাট্য নির্দেশের উপর প্রতিষ্ঠিত। বিবাহের প্রধান উদ্দেশ্য হলো বংশবৃদ্ধি, মানসিক শান্তি এবং একটি সুসংগঠিত পরিবার গঠন, যা সমলিঙ্গ বিবাহের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে

বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের সমাজে এতটাই জেঁকে বসেছে যে, তা একটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে

অনেকের আশা, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই কি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে?

মানুষের চাহিদার কোনো শেষ নেই। একটা পূরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে নতুন আরেকটা চাই। এভাবেই চলে মানুষের চাহিদা, ক্ষুধা ও লোভের উত্তরোত্তর বেড়ে চলা।

দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলা নববর্ষ। প্রতি বাংলা বছরের প্রথম তারিখে বর্ষবরণ উৎসবে বেশ ঘটা করে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা, যেখানে থাকে বিশালাকৃতির দানব, সরীসৃপ, হাতি, ঘোড়া, বাঘ, ভালুক, লক্ষ্মীপ্যাঁচা ও হুতুমপ্যাঁচার মুখোশ, মানুষের মুখোশসহ নারীর অঙ্গপ্রতিকৃতির নানা অশ্লীল ও নগ্নতাপূর্ণ প্রদর্শনী।

বাংলাদেশে এখন নতুন এক আতঙ্কের নাম অনলাইন জুয়া। তরুণ প্রজন্ম দ্রুত আকৃষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন জুয়ার সাইটে। পাঁচ-দশ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু করে লোভে পড়ে একপর্যায়ে হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা। জুয়ার এসব সাইটের অধিকাংশই পরিচালনা করা হচ্ছে রাশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস প্রতিবছর ১৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরাও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এই দিনটি নিয়ে তাদের মধ্যে আছে বিপুল উচ্ছ্বাস। কতসব বিচিত্র আয়োজন হবে আজকের এই দিনকে ঘিরে।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ তরুণ। এই জনগোষ্ঠীকে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কেননা, যেকোনো দেশ বা জাতির সাফল্য ও অর্জন তার তরুণ প্রজন্মকে এড়িয়ে সম্ভব নয়।