জমির উদ্দিন ও আতিকুর রহমান চবি থেকে

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনার ফল স্পষ্ট হওয়ার পর যে চিত্র উঠে এসেছে, তা ক্যাম্পাস রাজনীতির নতুন ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ‘সম্প্রীতি শিক্ষার্থী জোট’ নামে শিবির–সমর্থিত প্যানেল ২৬টি পদের মধ্যে ২৪টিতেই জয় পেয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, আজকের এই বিজয় জুলাই যোদ্ধাদের বিজয়, জুলাই শহীদদের বিজয়। আমরা সবাই জিতে গেছি—শিক্ষার্থীরাও জিতে গেছেন। শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রতি যে আস্থা রেখেছেন, সেই আস্থার প্রতিদান না দেওয়া পর্যন্ত আমরা থামছি না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চাকসু নির্বাচনে এজিএস পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রদল–সমর্থিত প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। ২৬টি পদের মধ্যে এটিই একমাত্র পদ যেখানে ছাত্রদল–সমর্থিত কোনো প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

ফল ঘোষণার মুহূর্তে দেখা যায় এক অস্বাভাবিক চিত্র— নিজ দলের বিজয় নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও অনুপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের এজিএস পদে প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। অন্যদিকে শিবির–সমর্থিত ‘সম্প্রীতি শিক্ষার্থী জোট’-এর প্রার্থীরা পুরো অডিটোরিয়ামজুড়ে আনন্দে ফেটে পড়েন, একে অপরকে আলিঙ্গন করেন, বিজয়ধ্বনি দেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হলে ভোটের ফলাফল ঘোষণা ঘিরে উত্তেজনার এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা

দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত বলে পরিচিত ‘সম্প্রীতি’ প্যানেলের একচেটিয়া জয় ক্যাম্পাস রাজনীতির চিত্র পাল্টে দিয়েছে। ২৬টি পদের মধ্যে ২৪টিতেই এই প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।