জাহেদ চৌধুরী

বাজিমাত করলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গণভোট, জুলাই সনদসহ রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের পর রাজনৈতিক দলগুলো মিছিল নিয়ে রাস্তায় নামেনি। জাতি যেন এক দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বাঁচল। রাজনৈতিক সমঝোতার ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে জাতির সামনে হাজির হয়ে তিনি সত্যিই চমকে দিয়েছেন সবাইকে

নিউ ইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘ড. ইউনূসের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখছি।’ দিনটি ছিল ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫। মাত্র এক মাসের মাথায় কী এমন ঘটল, সেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এখন তুলনা করা হচ্ছে জেনারেল আইয়ুব খান ও জেনারেল ইয়াহিয়া খানের

আমরা জুলাইয়ের অনুপ্রেরণায় নতুন একটা ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই। এজন্য যে সংগ্রাম দরকার আপামর জনসাধারণকে নিয়ে সেটি করব।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি খুব সংক্ষেপে বলি- ১৫ বছর ধরেই অন্যায়-অবিচার দেখলে সহ্য হতো না। বাংলাদেশের প্রত্যেক সরকারই কম-বেশি অন্যায় করত। কিন্তু শেখ হাসিনার শাসনকালে অন্যায়-অবিচার, নির্যাতন, মিথ্যাচার, ভারততোষণ- এগুলো এমন একপর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে নিজের বিবেকের তাড়নায় চুপ থাকতে পারতাম না।

নবযাত্রায় পথচলার এক মাস পার করল আমার দেশ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে এ জন্য আমরা শুকরিয়া আদায় করছি।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সচিবালয়ে একের পর এক ঘটনা ঘটে। চাকরি জাতীয়করণের নামে চুক্তিতে নিয়োজিত আনসারদের আন্দোলন ছিল একটা বড় ধরনের ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলার পর বেশ কিছুদিন নানা ধরনের বিক্ষোভ দেখা যায়নি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আবার তা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো নতুন করে আবার ডানা মেলেছে আমার দেশ। এক যুগ পর ২২ ডিসেম্বর ড. মাহমুদুর রহমানের সম্পাদনায় ‘স্বাধীনতার কথা বলে’ স্লোগান নিয়ে পাঠকের দরবারে হাজির হয়েছে আমার দেশ। নব উদ্দীপনায় নতুন করে স্বপ্ন বুনছে আমার দেশের মজলুম কর্মী বাহিনী।