জুবাইর আল হাদী

২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি—এই দিন চালু হয়েছিল মানুষের যোগাযোগ, সম্পর্কের ধরন পাল্টে দেওয়া ফেসবুক। আজ যে ফেসবুক ছোট-বড় নির্বিশেষে সবার দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, জন্মদিনের শুভেচ্ছা থেকে শুরু করে নিজের ভাবনা প্রকাশের প্রধান মঞ্চ—তার যাত্রা শুরু হয়েছিল একদম সাধারণ ছাত্রাবাস থেকে।

একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে দাঁড়িয়ে আমরা যে যোগাযোগব্যবস্থাকে প্রায় শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো স্বাভাবিক মনে করি, তার পেছনে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। আজকের লেখাটি বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। ইয়াহুর দুই প্রাক্তন কর্মী—ব্রায়ান অ্যাক্টন ও জান কৌম নতুন কিছ

ইন্টারনেটের বিস্তৃত দুনিয়ায় প্রতিদিন আমরা যে অসংখ্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই–কমার্স বা ব্যক্তিগত ব্লগ সবকিছুর পেছনেই রয়েছে এক অদৃশ্য কিন্তু অপরিহার্য অবকাঠামো। সেই অবকাঠামোর নাম ওয়েব হোস্টিং।

ঢাকার রাস্তার গল্পটা সবার জানা। সবার অফিসমুখী জ্যাম থেকে আবার রাতের ফিরতি জ্যাম! সময় যেন এখানে সবচেয়ে বেশি আটকে পড়ে। উবার, পাঠাও বা ওভাইয়ের মতো রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম শহরের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করলেও, জ্যামের ভেতরে ঢুকে পড়লে ব্যক্তিগত বা ভাড়ার কোনো যানই আর বিশেষ সুবিধা দিতে পারে না।

প্রযুক্তি বিশ্বে সাম্প্রতিক সময়ে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচনায়, তা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)। তবে এআইয়ের বিস্তৃত জগতের ভেতরে বর্তমানে যে প্রবণতাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, তা হলো জেনারেটিভ এআই বা জেন-এআই।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন যেমন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, তেমনি নতুন এক যুদ্ধ শুরু হয়েছে অনলাইনে। নির্বাচনি প্রচারণার বড় অংশ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আর এই ভার্চুয়াল মাঠেই ক্রমে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ডিপফেক প্রযুক্তি।

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ছোট থেকে বড় প্রায় সবার হাতেই আছে ফোন। কিন্তু আজ যে স্মার্টফোন আমাদের হাতের মুঠোয়, তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ, বৈপ্লবিক এক যাত্রাপথ। সেই পথের শুরু ১৮৭৬ সালে আর শেষ নেই আজও। প্রতিদিন প্রযুক্তির নতুন নতুন সম্ভাবনা যোগ হচ্ছে এই যাত্রায়।

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। মতামত বিনিময়, তথ্য সংগ্রহ কিংবা বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) দ্রুত বিকাশ সেই নির্ভরতার জায়গাটিকে নানা প্রশ্ন।

পৃথিবীর বুকের গভীরে যখন সঞ্চিত শক্তি হঠাৎ মুক্তি পায়, তখন ভূত্বক কেঁপে ওঠে। আর সেই অদৃশ্য কম্পনের ঢেউকে দৃশ্যমান করে তুলতে যে যন্ত্র নিঃশব্দে কাজ করে যাচ্ছে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তার নাম—সিসমোগ্রাফ। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল ১৭৬২ সালে, এপ্রিল মাসে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮.৫ ।

বর্তমান সময়ে মানুষ যেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ছাড়া চলতেই পারে না। স্বাস্থ্যসেবায়, যানবাহনে, কৃষিক্ষেত্রে, ব্যবসা-বাণিজ্যে, শিক্ষায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিনোদনে, এমনকি মহাকাশ গবেষণায়ও AI-এর ব্যবহার বিস্ময়করভাবে বেড়েছে।

অনিবন্ধিত মুঠোফোন হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধ এবং টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাচ্ছে এনইআইআর ব্যবস্থা। এটি চালু হলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা আমদানি অননুমোদিত ফোনের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। এ রকমই একটি ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

প্রাচীন যুগেই মানুষ জেনে গিয়েছিল চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। একটা গ্রহকে কেন্দ্র করে এর চারপাশে যেসব বস্তু ঘোরে, সেগুলোই হলো ওই গ্রহের উপগ্রহ। চাঁদ তেমনি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। প্রতিটি উপগ্রহের একটা বহির্মুখী গতিশক্তি থাকে।

ফটোগ্রাফি বর্তমানে আমাদের দেশের একটি অন্যতম সম্ভাবনাময় বিষয় হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে হয়তো কারো দ্বিমত নেই, থাকার কথাও না। কারণ বাংলাদেশের যে অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আছে, তা হয়তো হাজার হাজার ছবি তুলেও ফ্রেমে বন্দি করে রাখা যাবে না।

এখন যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে ফাইটার জেট, ড্রোন, ব্যালাস্টিক, গাইডেড মিসাইলসহ এ রকম বিভিন্ন প্রযুক্তির হাতে। এখন ফাইটার জেটের গর্জনেই শত্রুপক্ষ কেঁপে ওঠে। আধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলো মুহূর্তের মধ্যে হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

একসময় আর্থিক ব্যবস্থাপনা মানেই ছিল মাইল পথ হেঁটে চেকবই হাতে নিয়ে ব্যাংকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা। তখন মানুষ নিজ হাতে আয়-ব্যয়ের হিসাব লিখে রাখত। চেক লিখত আর ব্যাংকের স্টেটমেন্টের জন্য অপেক্ষা করত ডাকপিয়নের পদধ্বনির। ব্যাংকে ফোন করা বা অফিসে হাজির হয়ে হিসাব মেলানো ছিল দৈনন্দিন কাজের অংশ।

বর্তমান সময়ে চাল, ডাল, কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসও অনলাইনে কেনা সম্ভব, তা এখন অনেকেই জানেন। আজকাল অধিকাংশ মানুষ অনলাইনের মাধ্যমেই কাঁচাবাজার করছেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করছেন।

আগেকার দিনে যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো তথ্য দিতে হতো, তখন চিঠির মাধ্যমে পৌঁছানোই ছিল একমাত্র অবলম্বন, যার উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হতো অনেক দিন। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের আবির্ভাবের পর থেকে তা হয় না, এখন সবকিছু বদলে গেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন মাইকেল হার্ট। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির ভেতরকার গোপন রহস্য তাকে টানত। মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি টেলিভিশন বা রেডিও খুলে ভেতরের যন্ত্রাংশ বোঝার চেষ্টা করতেন এবং আবার জোড়া লাগাতেন।