ড. মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ

সংবিধানের ৪১ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্ম পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হলেও ধর্মীয় অনুশাসন শুধু নয়, বরং ধর্মীয় শি’আরকে (চিহ্ন) কটাক্ষ করা এমনকি তা পালনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে প্রকাশ্যে-অবলীলায়। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ঘটনা, ঢাবিতে ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থীর হিজাবে কালি লেপন এবং দাড়ি

রমজান কেবল আত্মসংযমের মাস নয়, এটি মানুষের প্রতি সহমর্মিতার এক অনন্য প্রশিক্ষণও। সারাদিন রোজা রেখে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার কষ্ট অনুভব করা, অভাবীদের জন্য দান-সাদাকাহ করা এবং অন্যের দুঃখ-দুর্দশার প্রতি সংবেদনশীল হওয়া- এসবই রমজানের সামাজিক শিক্ষা।

উত্তরাধিকার আইনে নারীর বৈষম্য নিয়ে উত্থাপিত বিষয়টি ইসলাম ও মুসলিমবিরোধীদের একটি অমূলক ও ভ্রান্ত অভিযোগ। যুগে যুগে এ প্রশ্নটি যেমন তর্ক-বিতর্কে রূপ নিয়েছে, তেমনি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে নস্যাৎ করতে তৎপর তথাকথিত সুশীলরা কৌশল বুঝে বিষয়টি সময়ে সময়ে সামনে এনেছে; বিশেষ শ্রেণিকে উসকে দিয়েছে।

মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে মানবসভ্যতা। আর সামাজিক সুশাসন ও শৃঙ্খলার ওপরই নির্ভর করে মানুষের সার্থকতা। শুধু দল বেঁধে বাস করলেই সমাজ হয় না। প্রত্যেক মানুষ একে অপরের কল্যাণের কথা ভেবে সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে নিয়ম ও শৃঙ্খলার অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বাস করলে সেই জনগোষ