মাহবুব হোসেন সারমাত, গোপালগঞ্জ

স্বাধীনতার পর থেকে গোপালগঞ্জে রাজত্ব ছিল আওয়ামী লীগের। যুগ যুগ এখানকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রায় সব পদ এই আদর্শের লোকদের দখলে ছিল। জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সে ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েছে। আগের মতো ঘটা করে কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেখা যাচ্ছে না।

গোপালগঞ্জ রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি। স্বাধীনতার পর থেকে দক্ষিণাঞ্চলের এই জেলায় এককভাবে রাজত্ব করেছে ফ্যাসিবাদী দলটি। মাঝে বিএনপির দুই নেতা একবার করে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর দুটি আসনে একবার করে সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ হয়েছিল জাতীয় পার্টির দুই নেতার

বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করছেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা। ইতোমধ্যে ধরা হয়েছে অন্তত ২৪ জনকে। তবে হামলার পর প্রায় সব আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের দেখা মিলছে না কোথাও। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গতকাল বৃহস্পতিবার বাড়ানো হয়েছে কারফিউর সময়সীমা

আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর ভয়াবহ হামলার চিত্র আবার মনে করিয়ে দিয়েছে। একই কায়দায় তাণ্ডব চালিয়ে পণ্ড করেছে তরুণ জুলাইযোদ্ধাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গোপালগঞ্জ জেলায় পদযাত্রা কর্মসূচি। গতকাল বুধবার দুপুরে এ হামলা চালানো হয়।