মিজানুর রহমান রাঙ্গা, সাঘাটা (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধার সাঘাটায় নিয়ম অমান্য করে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অবৈধ ইটভাটা। লোকালয়ের মাঝে গড়ে তোলা এসব ইটভাটার কালো ধোয়ায় ফসলি জমি ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। উপজেলার কাঠালতলী এলাকায় পাশাপাশি ২টি অবৈধ ইটভাটার বিরূপ প্রভাবে নানা ক্ষয়ক্ষতিসহ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ৫ গ্রামের মানুষ।

টানা ১৭ দিনের শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ইরিবোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বীজতলায় দেখা দিয়েছে কোল্ড ইনজুরি। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বোরো বীজতলার চারা হলদে হয়ে যাওয়া, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং কোথাও কোথাও চারা পচে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন ভাটাগুলোতে অসাধু উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। এসব ভাটার নামে মিটার নম্বর দিয়ে নিয়মিত বিল কাগজ সরবরাহ করছে বোনারপাড়া জোনাল অফিস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাটা মালিক জানান, সংযোগ নিতে গেলে কিছু খরচ করতেই হয়, না দিলে কাজ হয় না।

কৃষকরা আবু বকর সিদ্দিক জানান, “পোকা ও নানা রোগ-বালাইয়ে আমনের আবাদ নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। অথচ কৃষি অফিসের কোনো লোক আমাদের এদিকে আসে না। পরামর্শের জন্য কখনোই তাদের পাওয়া যায় না।

১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মেরিনা কনস্ট্রাকশন অ্যাসোসিয়েশন ও মেসার্স রাজু এন্টারপ্রাইজ। নির্ধারিত সময় শেষ হলেও কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় প্রথমে সময় বাড়ানো হয় ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আমাদের জীবনের কষ্টের নাম নদীপথ। এলাকায় ব্যাপকভাবে কৃষিপণ্য উৎপাদন হলেও শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে আমরা পিছিয়ে রয়েছি।

সাঘাটা উপজেলার ১৭১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৬টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলো খালি থাকায় সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ পায় ঢাকার ধানমন্ডির মেসার্স এইচটিবিএল-সিসিসিজেভি নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণকাজ মাঝপথে বন্ধ রেখে ঠিকাদার উধাও হয়। এলাকাবাসী জানান, চরাঞ্চলসহ উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে সাঘাটা, মুক্তিনগর, হলদিয়া ও বোনারপাড়া ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের লোকজন...

উপজেলার ১০ ইউনিয়নের প্রায় ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় একমাত্র ভরসা সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নানা সংকটে হাসপাতালটিতে মিলছেন না কাঙ্ক্ষিত সেবা। সিজারসহ অন্যান্য যে কোনো অপারেশনের জন্য ছুটতে হচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে।

৮ দিন অতিবাহিত হলেও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। রংপুর রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গত বৃহস্পতিবার তদন্ত শেষ করেছে। তদন্ত কমিটি গঠনের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের কথা রয়েছে।

পুকুরে সাঁতার কাটা অবস্থায় সিজুকে লম্বা বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের প্রাথমিক দাবি নাকচ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে পুলিশের বক্তব্যও পাল্টে যায়। বিশেষ করে, থানার ওসি বাদশা আলম দুই রকমের বক্তব্য দেন। এমনকি তিনি পূর্বনির্ধারিত ছুটিতে থাকারও দাবি করেন।

পাউবোর এ নির্দেশকে অমান্য করে সাথালিয়া এলাকার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান হেলাল, যুবলীগ সভাপতি মাহাবুবুর রহমান রতন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মানিক মিয়া সহ তাদের লোকজন জোরপূর্বক আবারও মাছ চাষ শুরু করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন পর্যন্ত তাদের দাপট কিছুই কমেনি। দক্ষিণ সাথালিয়া গ্রামে

কর্মসংস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানা উন্নয়নে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো। গণ অধিকার পরিষদের পক্ষে এ আসনে গণসংযোগ করছেন গাইবান্ধা জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলাম।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গুয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যমুনার ভাঙনের কবলে পরে গত চার দশকে ১৬ বার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। এবার আবারো নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের (এলজিইডি) দায়িত্ব নিয়ে টানাপোড়েনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে গাইবান্ধার সাঘাটা-জুমারবাড়ি সড়ক। পাউবো বাঁধের উপর এলজিইডির নির্মিত ৫ কিলোমিটার অংশের পাকা সড়কের প্রায় অর্ধশত স্থানে ধসে গেছে। এর মধ্যে একটি স্থানে বড় আকারে ধসে যাওয়া যানবাহন

প্রতি বছর ঈদে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক দিয়ে উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলার মানুষ যাতায়াত করে। এবার এই মহাসড়কে গাইবান্ধা জেলা অংশে ৫৭ কিলোমিটার উন্নয়ন কাজের অর্ধেক বাকি রয়েছে। কাজ চলমান থাকলেও রয়েছে ধীরগতি।

টাকার বস্তাসহ আটক গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম সাঘাটা উপজেলায় ছিলেন প্রায় ১৬ বছর। দাপটের সঙ্গে কাটিয়েছেন পুরো সময়। উপজেলা প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গাজীপুরের সফিপুরে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বাসিন্দা মো. মাসুদ মিয়া। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার দিনও ওই এলাকার রাজপথে মিছিল করছিলেন তিনি। এ সময় স্বৈরাচারের তাঁবেদার পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন ।

৫ আগস্ট। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। সেদিন দুপুরে সাভারে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি করে পুলিশ ও পেটোয়া বাহিনী।

বোনারপাড়া-সান্তাহার-পঞ্চগড় রেলওয়ে রুটে চলাচলকারী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রতিদিন দেরিতে চলাচল করায় যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

শহীদ সজলের মা শাহিনা বেগম বলেন, ওরা আমার বাবাটাকে গুলি করে মেরে ফেলে পুড়িয়ে ফেললো কেন? কি দোষ আমার সজলের। আমার বুকটা খালি করলো কেন ওরা? ছেলেটার পুড়ে যাওয়া দেহটা সারাক্ষণ কাঁদায়।