মো. আবুল বাশার নয়ন, বান্দরবান

পাহাড়, মেঘ আর সবুজ প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয়ে গড়া বান্দরবান দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে মেঘের আনাগোনা আর সবুজ প্রকৃতির বুক চিরে বয়ে চলা সাঙ্গু নদী—সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন আপন হাতে সাজিয়ে রেখেছে এই পাহাড়কন্যাকে। অপরূপ এই সৌন্দর্যের টানে প্রতি শীত মৌসুমেই এখানে ভিড়

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলা বান্দরবান অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এখানে পাহাড়ের চূড়ায় মেঘ এসে ধরা দেয় মানুষের হাতে! এখানকার সুউচ্চ পাহাড়ের বসবাসকারী জনপদ যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি এই জনপদকে আরো বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে।

বান্দরবান ৩০০ নম্বর আসনে রাজনীতির মাঠে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন নাটকীয়তা। জোটের স্বার্থে শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়া আসনটি মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও ফিরে পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ফলে সংশ্লিষ্ট আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামই থাকছেন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

বান্দরবানের বাইশারী এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আয়ুব আলী বাবুল। পেশায় পোলট্রি খামারি। একই গ্রামের নুরুল বশর, ফরিদুল আলম পেশায় দিনমজুর। লেনদেনের জন্য কখনো ব্যাংকের বারান্দায়ও যেতে হয়নি তাদের।

বান্দরবানে আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা। এই আসনটি ছয়বার আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। এবার এটি দখলে নিতে মরিয়া বিএনপি। প্রত্যাশা রয়েছে জামায়াতেরও।

নারী সংস্কার কমিশনের ইসলাম বিরোধী প্রস্তাবনা বাতিল, ভারতে মুসলিম নির্মূল ও গাজায় ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে বান্দরবানের আলেম সমাজ।

সরকারি ভূমি ম্যাপ ও প্রতিবেশীদের দলিলের চৌহদ্দিতে পাঠাগারের স্বীকৃতি রয়েছে। এছাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের সদর এলাকার ম্যাপ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ২৭০ নং নাইক্ষ্যংছড়ি মৌজার ১৩৯ নং দাগের ৬৫ শতক জায়গা সরকারি খাস হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। বিভিন্ন সময় পাঠাগারের নামে বরাদ্দও দেওয়া হয় সেখানে।

অন্যদিকে জানতে চাইলে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, আমি বর্তমান কর্মস্থলে আসার পর থেকে দেখছি তাকে। কিছু ঠিকাদারও তার বিষয়ে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১৯ সালের ২৩ জুলাই বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পুলাংপাড়ায় নিজ মুরগির ফার্ম থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মো: আলমগীরকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই হত্যাকাণ্ডের পর লামা থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সায়মন ত্রিপুরা ও বীর বাহাদুর ত্রিপুরা নামে দুজনকে আটক করে। ওইসময় তার

পাহাড়ে সকল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে অবৈধ অস্ত্র ছেড়ে শান্তির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বান্দরবানের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতারা। তারা বলেন, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘাত, এটা কোনো জীবন হতে পারে না।