শামসুল আরেফীন

১৪ আগস্ট পাকিস্তান আন্দোলনের সূচনালগ্ন হিসেবে পরিচিত। তবে এই আন্দোলনকে শুধু রাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারণ বা রাজনৈতিক লড়াই হিসেবে দেখলে তা অসম্পূর্ণ থাকে। ইতিহাসকে যথাযথভাবে বোঝার জন্য আমাদের দেখতে হবে ব্রিটিশবিরোধী লড়াই, হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের ভাঙন, কংগ্রেসের একদিক-দর্শিতা

আধুনিক বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান উৎপাদন ও সম্প্রসারণের কেন্দ্র নয়; এটি সমাজের নৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্র হিসেবেও বিবেচিত। একাডেমিক ক্ষেত্রকে অনেক সময় ‘পাবলিক স্ফিয়ার’ (public sphere) হিসেবে দেখা হয়, যেখানে সত্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রশ্ন আলোচিত ও বি

ঢাকা ও কাঠমান্ডুর জেন জেড আন্দোলনগুলো শুধু প্রতিবাদ নয়, এগুলো ছিল নতুন পৃথিবী গড়ার মহড়া। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা আশার সম্প্রদায় তৈরি করেছে। অভিজ্ঞতা ও কৌশল শেয়ার করেছে আর যেসব কণ্ঠকে স্বৈরতন্ত্র স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, সেগুলো আরো জোরালো করেছে। নজরদারি আর কর্তৃত্ববাদের যুগে তারা প্রমাণ করেছে তরুণরা

২০০৯ সালের পর থেকে জাতীয় রাজনীতিতে কার্যত কোনো অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের ভোটে জনগণ প্রায় সম্পূর্ণভাবে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হন।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষক, প্রফেসর নীলিমা আখতার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন, যা ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভারতের আধিপত্যবাদও এই প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে। অখণ্ড ভারতীয় ধারণা এবং হিন্দুত্ববাদী নীতি কেবল রাজনৈতিক সীমারেখা পুনর্গঠনের জন্য নয়, বরং আঞ্চলিক শক্তি ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে কাজ করেছে। কাশ্মীর, পাঞ্জাব, আসাম এবং পূর্ব বাংলার বাঙালি মুসলমান জনগণ ভারতীয় নীতির প্রভাবের মধ্যে পড়ে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে চাঁদাবাজি এখন কেবল একটি অপরাধমূলক কার্যকলাপ নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাচর্চার একটি কাঠামোগত ভাষা। এই ভাষা আমরা শুধু রাজনৈতিক দলের কর্মী, ক্যাডার, ঠিকাদার কিংবা হকার-পর্যায়ে দেখি না—আমরা এটি দেখি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবস্থার গভীরে, আমলাতন্ত্রে, উন্নয়ন প্রকল্পে,

যদি স্বচ্ছ মানদণ্ড না থাকে, তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দিয়ে উপাচার্য বদলানো যাবে, কিন্তু পরিবর্তন আসবে না।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৩। বোস্টন এয়ারপোর্টে আমাদের বহন করা বিমানটি অবতরণ করল। শারীরিক এবং মানসিক যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও গোধূলিলগ্নে উঁকি দেওয়া আলোয় আমি যেন ‘স্বাধীন পৃথিবীর’ স্বাদ অনুভব করলাম। কোথায় এবং কেন এলাম-এই প্রশ্নগুলো তখন যেন অবান্তর।