২৯ জানুয়ারি, ২০২৩। বোস্টন এয়ারপোর্টে আমাদের বহন করা বিমানটি অবতরণ করল। শারীরিক এবং মানসিক যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও গোধূলিলগ্নে উঁকি দেওয়া আলোয় আমি যেন ‘স্বাধীন পৃথিবীর’ স্বাদ অনুভব করলাম। কোথায় এবং কেন এলাম-এই প্রশ্নগুলো তখন যেন অবান্তর। আমার চোখ বোস্টনের ঝকঝকে সুড়কির দিকে। এয়ারপোর্টের বাইরে আমার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটির এক ভাই। ওনাকে দেখে আর বাংলায় কথা বলতে পেরে বিদেশের মাটিতে আমি যেন বাংলাদেশকে খুঁজে পেলাম। আমাদের গন্তব্যস্থল ম্যাসাচুসেটেসসের ছোট একটি শহর-এমার্স্ট। এটি কলেজ টাউন বলে সুপরিচিত। শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য আগে থেকেই এই শহরের বেশ নামডাক ছিল। ইকবাল আহমেদের মতো ক্রিটিক্যাল মার্ক্সিস্টরা এই শহরে চিন্তার সূত্র বুনে দিয়ে গেছেন। এমিলি ডিকেনসনের মতো কবিরা এ শহর থেকেই মুক্তি, স্বাধীনতা, সমতার কবিতা বুনে গেছেন। আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী এবং কালোদের মধ্য থেকে যিনি সর্বপ্রথম হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করেছিলেন এবং সমগ্র বিশ্বের আফ্রো-আমেরিকান এবং পিপুল অব কালারদের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য যিনি লড়াই করে গেছেন, সেই ডু বয়সের নামে ২৬-তলার সুবিশাল লাইব্রেরি গড়ে উঠেছে এই শহরে। এখানকার ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পড়তে এসেছি। কানাডা ও ইউকের বেশ কয়েকটি ইউনিভার্সিটির সুযোগ উপেক্ষা করেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে উচ্চশিক্ষার জন্য সবচেয়ে উপযোগী জায়গা ধরে নিয়েছি। কিন্তু তখনো একবারও মনে হয়নি কত অনিশ্চয়তা, ভয় আর ট্রমা নিয়ে সময় পার করতে হবে।
ফ্যাসিবাদে রাষ্ট্র এবং জনগণের কেমন সম্পর্ক হয়? রাষ্ট্র কীভাবে চলে? সেখানে মানুষের পরিচয় এবং আত্মমর্যাদার কী অবস্থা হয়, তা হয়তো আমার মতো বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণই দেখেছে। আমরা যখনই ফ্যাসিবাদের আলাপ করি, তখনই আমাদের চোখের সামনে ইতালির মুসোলিনি কিংবা জার্মানির হিটলারের মুখোচ্ছবি ভেসে ওঠে। এখন হয়তো ফ্যাসিবাদের আলাপ করলে আমাদের মানসপটে নতুন আরেকটা ছবি ভেসে উঠবে, যাকে ৫ আগস্ট আমরা বাংলাদেশিরা পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি। শেখ হাসিনার এই ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে ১৫ বছর লড়াই করতে হয়েছে। রক্ত দিতে হয়েছে। গুম ও খুনের স্বীকার হতে হয়েছে। জুলাই-আগস্টে দেড় হাজারের অধিক প্রাণ আত্মাহুতি দিতে হয়েছে। তারপরও শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিতে চাননি। হাজার হাজার লাশের ওপরে দাঁড়িয়ে থেকে রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগকারী বাহিনী ব্যবহার করে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে থাকতে চেয়েছেন। ফ্যাসিস্ট শাসক এমনই হয়। তিনি নিজেকে অমনি পোটেন্ট এবং জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার একমাত্র এমবডিমেন্ট মনে করতে থাকেন। একজন ফ্যাসিস্ট নিজের ক্ষমতার বিন্যাস ও চর্চায় সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ করতে ও দ্বিধা করেন না। উগ্র জাতীয়তাবাদী চেতনা, সাংস্কৃতিক পাটাতন, মিডিয়া হাউস, আমলাতন্ত্র এবং শিক্ষালয়কে ব্যবহার করে সর্বত্র তিনি নিজের কর্তৃত্ব স্থাপন করতে সক্ষম হন। ফলে ফ্যাসিস্টকে প্রশ্ন করা যায় না। চোখে চোখ রেখে কথা বলা যায় না। কেননা, ফ্যাসিবাদের কাজই হচ্ছে ‘টেরোর’ উৎপাদন করা। কালেভদ্রে কেউ যদি একটু উচ্চবাচ্যও করে বসেন, তখন তাদের জায়গা হয় আয়নাঘরের মতো পাঁচ-ছয় ফুটের মতো সংকীর্ণ জায়গায়। যেখানে বছরের পর বছর ধরে আলো-বাতাস ও সমাজ পৌঁছাইতে পারে না।
দেশে যখন ছিলাম তখন ফ্যাসিবাদী শাসনের ভয়ংকর রূপ দেখেছি। এই শাসনতন্ত্র সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিদ্যায়তনিক সব সম্পর্ককেই ‘অপরায়িত’ করে। ফলে, ‘আমরা এবং তোমরা’ রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শিক্ষক হিসেবে এই বাইনারির ঘাত-অভিঘাত দেখে এবং সেসবের বিপরীতে নিজের শ্রেণিগত ও পেশাগত অবস্থান থেকে সর্বশক্তি দিয়ে রেজিস্ট্যান্স করতে না পারার কারণে প্রচণ্ড মানসিক এবং মানবিক যন্ত্রণা অনুভব করতাম। তা সত্ত্বেও শব্দ, বাক্য আর শ্রেণিকক্ষে পাওয়া এক টুকরো স্পেসের পূর্ণ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জাগাতে চেষ্টা করতাম। আমেরিকায় পড়তে আসার পর অভিবাসী জীবন আর সেই জীবনে নিজেকে অনাহূত এবং মানিয়ে না নেওয়ার খেদ থেকে নিজের দেশ ও দেশের সংকট নিয়ে আরো গভীরভাবে ভাবার সুযোগ হয়। ডায়াস্পোরাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পুঁজি এবং নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা তুলনামূলকভাবে অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে। ফলে, যেকোনো অপশাসনের বিরুদ্ধে কণ্ঠ উঁচিয়ে প্রতিরোধ করা সহজতর হয়। সেই সুযোগের পূর্ণ ব্যবহার করে বাংলাদেশের ডায়াস্পোরা কমিউনিটি এই জুলাইয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রয়াসেই শতাব্দীর অন্যতম স্বৈরশাসক ও তার ক্ষমতার মসনদ তাসের ঘরের মতোই ভেঙে পড়ে। নয়াবিশ্ব ব্যবস্থায়, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের মানুষ স্বৈরশাসনকে যে মেনে নেয় না, নিজের জীবন দিয়ে হলেও এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়Ñ তার এক উজ্জ্বল, কালজয়ী এবং পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশের জনতা। প্রফেসর ইউনূস সে কারণেই বারবার বলেছেন বাংলাদেশের ঘটে যাওয়া এ ঘটনা পৃথিবীর মানুষের জন্য ভীষণ অনুপ্রেরণার।
এ রকম এক জনপদের মানুষ হয়েও বিদেশে থাকার কারণে আজ আমাদের সেলফ সেন্সরশিপের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। পরিচয়ের রাজনীতির কারণে আমাদের ভয়েসকে সাইলেন্স করে দেওয়ার জন্য একের পর এক পলিসি গ্রহণ করছে বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন। ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের’ কথা বলে যারা ইরাকে অন্যায় যুদ্ধ শুরু করেছিল, তারাই ২০২৫-এ এসে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে। হার্ভার্ড, জন হপকিন্স, ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি, প্রিন্সটনসহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার তহবিল সংকুচিত করে দিয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যেই বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেখা গিয়েছে। মার্কিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট তার দেওয়া এক বক্তব্যে ইউনিভার্সিটির প্রফেসরদের ক্রিমিনাল বলে আখ্যায়িত করেছেন। ২০ জানুয়ারি ওভাল অফিসে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর মার্কিনি প্রেসিডেন্ট একের পরে এক নির্বাহী আদেশ জারি করে ‘ইমিগ্র্যান্টদের’, বিশেষ করে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এবং প্রো-প্যালেস্টাইনি ভয়েসদের বিরুদ্ধে অন্যায্য আচরণ শুরু করেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই পর্যন্ত জানা গেছে, প্রায় ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজারের কাছাকাছি বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাহার করেছে হোমল্যান্ড অ্যান্ড সিকিউরিটি অফিস। যাদের ভিসা প্রত্যাহার করেছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। বেশিরভাগ ইউনিভার্সিটির প্রশাসনকে জানানো হয়নি কেন তাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ ধরনের বৈরী আচরণ করা হলো। তাদের অপরাধটাই কী?
ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনিদের মুক্তিসংগ্রামের জন্য যেকোনো ধরনের বিক্ষোভকে এন্টি-সেমিটিক বা ইহুদিবিরোধী বলে লেবেলিং করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো কিছু লেখা হলে সেই লেখার সূত্র ধরে শত শত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে, গাড়ি চালাতে গিয়ে আগেকার ল ভায়োলেশনের অজুহাত দেখিয়ে ভিসা প্রত্যাহার করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি নানা অজুহাতে ব্রাউন, ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টন ইউনিভার্সিটির প্রফেসরদের ভিসা পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। যতই দিন যাচ্ছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাহারে তালিকা আরো লম্বা হচ্ছে। কিছুদিন আগে আমার পরিচিত এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা প্রত্যাহার করেছে। মাত্র কিছুদিন আগেই সে আমেরিকায় এসেছিল লেখাপড়ার উদ্দেশ্য নিয়ে। এখন সে জানে না তার সামনে কী ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। এসবের কারণে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভেতরে, বিশেষ করে বাংলাদেশ কমিউনিটির মধ্যে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক, উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেকেরই মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা ভীষণ নাজুক হয়ে পড়েছে।
বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অভিবাসন নীতিমালার’ বিরোধিতা করছে খোদ আমেরিকানরা। কিছুদিন আগে আমেরিকার প্রায় ১ হাজার ২০০ স্থানে ‘হ্যান্ডস অব’ হ্যাশটাগ দিয়ে প্রতিবাদ সভা হয়েছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও মতামত প্রকাশের সম্মান জানানোর অধিকার রক্ষার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের গবেষণা সহায়তা হারিয়েছে; কিন্তু হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপরে সরকারের হস্তক্ষেপকে মেনে নেয়নি। আমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, সেখানকার ফ্যাকাল্টিরা শিক্ষার্থী ও ফ্যাকাল্টিদের অধিকার রক্ষায় এবং একাডেমিক ফ্রিডম রক্ষার্থে সিনেটে নতুন একটি রেজোলিউশন পাস করেছে এবং আমেরিকার অন্যান্য ২৪৮টি ল্যান্ড গ্র্যান্ড এবং পাবলিক ইউনিভার্সিটিকে আহ্বান করেছে, তাদের এই দাবির সঙ্গে সম্মতি জ্ঞাপন করে এই যুদ্ধে শামিল হওয়ার জন্য। আমেরিকার ১৩টি রাজ্যে অ্যাটর্নি প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এসব কিছুই আমাদের জন্য আশাজাগানিয়া। তা সত্ত্বেও আমাদের মাথায় রাখতে হবে আমরা লেট ফ্যাসিজমে পদার্পণ করেছি। আমেরিকান জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশের সমর্থন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় এসেছে, যাদের পলিসিই হচ্ছে এন্টি-ইমিগ্র্যান্ট এবং এন্টি-হিউমান। আমেরিকান ড্রিম, মেরিটোক্রেসির কথা বললেও এরা আদতে হোয়াইট সুপ্রেমেসিস্টদের জন্য আমেরিকাকে গড়তে চায়। ফলে, এরা আমেরিকার ইতিহাসকে নতুনভাবে নির্মাণ করতে চাচ্ছে এবং সেটি করতে গিয়ে নিজেদের ইতিহাসের অনেক কিছুকেই আড়াল করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এ লড়াইয়ে আমেরিকান জনতার সহসাই যে বিজয় আসবে, তা কিন্তু নয়। বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদের কালপর্ব অধ্যয়ন করলে এমনটাই আমি মনে করি। ফলে আমাদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিকল্প উৎসের সন্ধান করতে হবে। ইউরোপ এবং নর্থ-আমেরিকায় এন্টি-ইমিগ্রেন্ট সেন্টিমেন্ট অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। তা সত্ত্বেও এই জায়গাগুলোয় আগামী দিনগুলোতেও বাংলাদেশ থেকে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য পড়তে আসবেন। কিন্তু আমাদের স্থায়ী সমাধানের দিকে যেতে হবে। দেশের উচ্চশিক্ষাকে অঙ্কুরে রেখে কোনো দেশের সংস্কার টেকসই হতে পারে না। এখন পর্যন্ত এদেশে বিশ্বমানের একটি রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ও গড়ে তোলার জন্য সরকারি উদ্যোগ দৃষ্টিগোচর হয়নি। দেশের প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠক্রম, গবেষণা, শিক্ষক এবং শিক্ষা সহায়ক উপকরণের মান সুখকর নয়। নামেমাত্র দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়। কিন্তু এসব ডিগ্রির মানোন্নয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে, গবেষণায় পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থা করা গেলে দেশেই ভালো মানেই পিএইচডি গবেষণা করা সম্ভব। তা ছাড়া বাংলাদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দেশি এবং বিদেশি ফ্যাকাল্টিদের কোলাবোরেশনে ভালো গবেষণার দিগন্ত উন্মোচন হতে পারেই বলে আমি মনে করি।
লেখক : শিক্ষক ও পিএইচডি গবেষক
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
Email: arefin_rehan@yahoo.com
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

