Hafez Mufti Rashedur Rahman

আজ ১৭তম তারাবিতে সূরা নামল (৬০-৯৩), সূরা কাসাস এবং সূরা আনকাবুত (১-৪৪) পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ২০তম পারা। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

আজ ১৩তম তারাবিতে সূরা কাহফ (৭৫-১১০) এবং সূরা মারয়াম ও ত্বহা পড়া হবে। পারা হিসেবে পড়া হবে ১৬তম পারা। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

আজ অষ্টম তারাবিতে সূরা তওবার (৯৪-১৯৩) আয়াত এবং সূরা ইউনুস পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ তেলাওয়াত হবে ১১তম পারা। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

আজ সপ্তম তারাবিতে সূরা আনফাল (৪১-৭৫) এবং সূরা তাওবা (১-৯৩) আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে দশম পারা। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

জান্নাত-জাহান্নামিদের বিশেষ কথোপকথন একটি প্রসঙ্গ সূরায় রয়েছে। আছে তৃতীয় আরেকটি দলের বিবরণও- তারা হলো ‘আরাফবাসী’। এরা মূলত মোমিন; কিন্তু নেক আমলে তারা অন্যান্য জান্নাতির চেয়ে পিছিয়ে ছিল। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে একটু বিলম্বে। (৩৮-৫১)

৫. সূরা মায়িদাহ (৮৩-১২০) ৭ম পারার শুরুতে আহলে কিতাবদের মধ্যে যারা সত্যনিষ্ঠ, তাদের প্রশংসা করা হয়েছে। ৮৭ থেকে ৯৩ নম্বর আয়াতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান দেওয়া হয়েছে। কসম-শপথ ভাঙার কাফফারা, মদ-জুয়া, মূর্তি ও ভাগ্যনির্ণায়ক তির এবং পাশা হারাম করা হয়েছে। ১৩তম রুকুতে ইহরাম অবস্থায় শিকার প্রসঙ্গে আলোচনা রয়েছে

আজ চতুর্থ তারাবিতে সূরা নিসা (৮৮-১৪৬) এবং সূরা মায়িদার (১-৮২) নম্বর আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে পঞ্চম পারার দ্বিতীয়ার্ধ এবং পুরো ষষ্ঠ পারা। আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের সারমর্ম তুলে ধরা হলো।

আজ তৃতীয় তারাবিতে সূরা আলে ইমরান (৯২-২০০) এবং সূরা নিসা (১-৮৭) পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে চার পারা থেকে শুরু করে পাঁচ পারার প্রথমার্ধ। পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরা হলো।

আজ দ্বিতীয় তারাবিতে সূরা বাকারার (২০৪-২৮৬) এবং সূরা আলে ইমরান (১-৯১) আয়াত পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে দ্বিতীয় পারার শেষার্ধ এবং তৃতীয় পারা পুরোটা। পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের বিষয়বস্তু তুলে ধরা হলো।

ফাতিহা অর্থ ভূমিকা। কুরআনের মূল আলোচ্য বিষয় তিনটি : তাওহিদ, রিসালাত ও আখেরাত। ভূমিকার মতো ছোট্ট এ সূরাটিতে তিনটি বিষয়েই আলোচনা রয়েছে। সূরাটির সূচনা হয়েছে জগতের পালনকর্তা দয়াময় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার হামদ ও প্রশংসার মাধ্যমে।