হাসান উল আজিজ, লালমনিরহাট

সংসদ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত গোটা দেশ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে থেমে নেই মাদক চোরাকারবারিরা। একের পর এক মাদকের চালান ঢুকছে সীমান্ত দিয়ে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ইস্যুতে নানাভাবে ব্যস্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই সুযোগে রমরমা হয়ে উঠেছে তাদের ব্যবসা। সীমান্ত,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত গোটা দেশ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে থেমে নেই মাদক চোরা কারবারিরা। একের পর এক মাদকের চালান ঢুকছে সীমান্ত দিয়ে।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় সারের বাজার এখন শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। সরকারি বরাদ্দের সার ডিলারদের গুদামে মিলছে না, অথচ খুচরা বাজারে সেই সারই বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণ দামে।

লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে পাথর আমদানির আড়ালে অবৈধ পণ্য আসছে কি না, তা নির্ণয় করার মতো কোনো উপায় নেই। কারণ, শুল্ক স্টেশনে স্ক্যানার মেশিন না থাকার সুযোগে নিরাপত্তা সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পণ্য আনা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে ভারত থেকে বৈধ

তিস্তা অববাহিকায় অবস্থিত লালমনিরহাট জেলায় নির্বাচনের আমেজ এখন তুঙ্গে। সেখানে প্রার্থীরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, নদীভাঙন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় ভোটাররা তিস্তা ইস্যুকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, যা নির্বাচনি প্রচারে বড় প্রভাব ফেলছে। এই জেলায় তিনটি সংসদীয় আসন

ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে লালমনিরহাটসহ গোটা উত্তর জনপদ। রাত-দিন চারদিক ঢেকে গেছে কুয়াশার চাদরে। এর সঙ্গে আবার যোগ হয়েছে হিমেল হাওয়া। গরম কাপড় পরিধান করেও ঠান্ডার হাত থেকে রেহাই মিলছে না। গ্রামাঞ্চলের শীতার্ত মানুষ দল বেঁধে খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে কোনোরকম শীত নিবারণের

চব্বিশের বিপ্লবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েন যেভাবে তীব্র হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দুই দেশের সীমান্ত, ভ্রমণ ও চিকিৎসা খাতে। কূটনৈতিক উত্তেজনা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের বাগবিতণ্ডা এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে রোগী ভর্তি ও হোটেলে থাকার নিয়মে পরিবর্তন

উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় আগাম শীতের দাপট দেখা যাচ্ছে এই জেলায়। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জেলার সদরসহ ৫টি উপজেলা। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বৃষ্টির মতো টপ টপ করে ঝরতে দেখা গেছে কুয়াশা। মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে বাস ও ট্রাক চলছে। ধীরগতিতে

লালমনিরহাটে হালকা কুয়াশা, শিশির ভেজা ঘাস আর মৃদু হিমেল হাওয়ায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা। এতে শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ না করায় তারা শীতবস্ত্র ক্রয়ে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে।

সরেজমিন দেখা যায়, তিস্তা শুকিয়ে অনেকটা মরা খালে পরিণত হয়েছে। পানির অভাবে লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতীরবর্তী এলাকার রাজপুর, খুনিয়াগাছ, গোবর্ধন, মহিষখোঁচা, কালমাটি, চরবৈরাতি, ভোটমারী, সানিয়াজান, সিন্দুর্না, ডালিয়াসহ অন্তত শতাধিক চরাঞ্চলের চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, তিস্তা শুকিয়ে অনেকটা মরা খালে পরিণত হয়েছে। পানির অভাবে লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতীরবর্তী এলাকার রাজপুর, খুনিয়াগাছ, গোবর্ধন, মহিষখোঁচা, কালমাটি, চরবৈরাতি, ভোটমারী, সানিয়াজান, সিন্দুর্না, ডালিয়াসহ অন্তত শতাধিক চরাঞ্চলের চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিভক্তি দিন দিন বাড়ছেই। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী দলীয়ভাবে অনেক বেশি সুসংগঠিত বলে মনে করছেন ভোটাররা। আগামী সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে এমপি পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যেও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে

স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে ভারত নদীটির পানি তাদের খেয়ালখুশিমতো নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। শুকনো মৌসুমে ভারত সব গেট বন্ধ রেখে পানি আটকায়, বাংলাদেশে দেখা দেয় ভয়াবহ পানিসংকট। আবার বর্ষাকালে হঠাৎ সব গেট খুলে দিয়ে তিস্তার অববাহিকায় বন্যার সৃষ্টি করে প্রতি বছর।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভারত নিয়ন্ত্রিত গজলডোবা ব্যারাজের ৫৪টি গেটের সবগুলোই খুলে দেয়ায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়! এতে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার ৩০ গ্রামের নিম্নাঞ্চলের প্রায় লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গজলডোবা বাঁধের গেটগুলো খুলে দেওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল গত রোববার রাতেই প্লাবিত হয়। স্থানীয় মানুষজন গরু-ছাগল নিয়ে স্পার বাঁধসহ উঁচু এলাকায় রাত কাটায়। পানি বাড়তে থাকায় নতুন নতুন লোকালয়ও প্লাবিত হচ্ছে।

কোনো রকম আগাম তথ্য না দিয়ে ভারত নিয়ন্ত্রিত গজলডোবা ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দিয়েছে ভারত। তিস্তা ব্যারাজ কন্ট্রোল রূম ও বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, এই বিপুল পরিমাণ পানি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানা ছিলো না। পানি আগ্রাসী ভারত বরাবরই বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে চলেছে।

লালমনিরহাটে একই আঙিনায় মসজিদ ও মন্দিরে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব এবং মুসলমানদের নামাজ। একপাশে উলুধ্বনি, অন্য পাশে চলছে আল্লাহ তা আলার জিকির। এভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যুগ যুগ ধরে চলছে পৃথক দুটি ধর্মীয় উপাসনালয়। একপাশে ধূপকাঠি, অন্য পাশে আতরের সুঘ্রাণ। ধর্মীয় সম্প্রীতির এমন উজ্জ্বল

হয়রানিমূলক মামলা, হামলা, নির্যাতন, হত্যা, জঙ্গিনাটক, জমি দখলসহ নানা অপকর্মই ছিল লালমনিরহাটে আওয়ামী আমলের নমুনা। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দলীয় সন্ত্রাস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দলবাজ কর্মকর্তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল জনজীবন।

তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রথম আলো এসব তথ্য কোথায় পেল- সেটা আমরা জানি না। আমরা প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধিকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করেছিলাম। কিন্তু তিনি বলেছেন, এ ধরনের তথ্য তিনি প্রথম আলোর অফিসে পাঠাননি।’’

চিকিৎসক সংকট ও আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ছিটমহল দহগ্রাম- আঙ্গরপোতার মানুষ এখনো চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন । এখানে নামে মাত্র হাসপাতাল আছে কিন্তু চিকিৎসাসেবা নেই। দহগ্রামের মানুষের জন্য নির্মিত ২০ শয্যার হাসপাতালটি এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ভারী বৃষ্টি এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারোজের সবগুলো গেট খুলে দেয়ায় লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিন সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়।

ভারী বৃষ্টি এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ায় লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এতে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী সংলগ্ন তিস্তাপাড়ের হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তিস্তা ও ধরলা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে লালমনিরহাট জেলার নদীতীরবর্তী পরিবারগুলো। প্রতিদিনই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি, ঘর-বাড়ি ও বসতভিটা। কৃষক পরিবারগুলো হারাচ্ছে জীবিকা, ঘরবাড়ি এবং বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও

উত্তরাঞ্চলের দুঃখ বলে পরিচিত প্রমত্তা তিস্তাকে ঘিরে নতুন করে স্বপ্ন বুনছে নদীপাড়ের মানুষ। বহু প্রতীক্ষিত ‘তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প’বাস্তবায়নের উদ্যোগে আশার আলো দেখছে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার কোটি মানুষ। প্রকল্পটি নিয়ে ভারত এতোদিন বাংলাদেশকে চাপ

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে নদীসংলগ্ন ৮৯টি চরের মানুষের মধ্যে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে যেতে শুরু করেছে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ফসলের ক্ষেত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাটের তিনটি আসনে ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে লন্ডনে বৈঠকের পর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে

১৯৯২ সালের ২৬ জুন ভারত সরকার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসীর যাতায়াতের জন্য শুধু মাত্র দিনের বেলা এক ঘণ্টা পরপর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত করিডোরের গেট খুলে রাখার সিন্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে করিডোরের গেট সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা খুলে রাখার ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়।

বন্যার মৌসুম এলেই তাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়—কখন যে ভারত পানি ছেড়ে দিয়ে তাদের ভাসিয়ে দেয়। তিস্তার উজানে গজলডোবা ব্যারাজ নামক স্থানে একটি বাঁধ নির্মাণ করে তিস্তার পানি ভারত তাদের খেয়াল-খুশিমতো নিয়ন্ত্রণ করেই যাচ্ছে

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে নদীর পানি বেড়েই চলেছে, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদীভাঙন। কেউ হারিয়েছেন বসতভিটা, কেউ ফসলি জমি।

বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ভারত। এর অংশ হিসেবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করছেন।

মাদক পাচারের ট্রানজিট হিসেবে সীমান্তের গ্রামগুলোকে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। প্রতিবেশী ভারত থেকে গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবার চালান সড়ক, রেল ও বিমানপথে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে। মাঝেমধ্যে আটক হচ্ছে এসব মাদকের বাহকরা।

জুলাই আন্দোলনে গিয়ে শহীদ হন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সুজন ইসলাম। কাজ করতেন আশুলিয়ার এক গার্মেন্টস। একমাত্র উপার্জনকারী এ সন্তানকে হারিয়ে পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সীমান্তে গুলি করে বাংলাদেশি হত্যা, ধরে নিয়ে যাওয়া, নির্যাতন এবং শূন্যরেখা বরাবর কাঁটাতারের বেড়া ও ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের চেষ্টা বন্ধই হচ্ছে না। গত ৮ বছরে শুধু লালমনিরহাট সীমান্তেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৫ বাংলাদেশি।

জমির উর্বরতা, পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও মাটির গুণাগুণের মারাত্মক ক্ষতির বিষয়টি জেনেও কোনোভাবেই থামছে না যেন তামাক চাষের আগ্রাসন। স্থানীয় সচেতন কৃষকরা বলছেন, কৃষি বিভাগের উদাসীনতা, উৎপাদনের আগে কোম্পানির তামাকের দর নির্ধারণ, বিক্রয়ের নিশ্চয়তা, চাষের জন্য সুদমুক্ত ঋণ, কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিয়মিত মাঠ পরিদ

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের ২২ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ তিনবিঘা করিডোর। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে যাতায়াতের সুবিধার্থে এটি বাংলাদেশকে ইজারার মাধ্যমে দেয় ভারত। দুদেশের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী করিডোরটি ২৪ ঘণ্টাই উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও এখনো ভারতীয়দের দখলে রয়েছে করিডোর।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে দহগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির বিরাজ করছে। বিজিবিকে বিএসএফ জানিয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পাদিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আলোকে তারা সীমান্তে বেড়া নির্মাণ করছে।

চোরাচালান, চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক, স্বর্ণ পাচার, হুন্ডি ব্যবসা আর হুমকি-ধমকিতে ১৫ বছরে শত শত কোটি টাকা কামিয়েছেন লালমনিরহাটের আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন ওরফে হুন্ডি সুমন খান। পেটোয়া বাহিনী গড়ে তুলে হয়েছিলেন অপরাধচক্রের এক আলোচিত নাম ‘গডফাদার’।

এ জেলার অবস্থান হিমালয় পাদদেশের কাছাকাছি হওয়ায় প্রতিবছর ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডার তীব্রতা অন্যান্য জেলার চেয়ে অনেক বেশি থাকে। ফলে দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও সাধারণ মানুষকে চরম বিপাকে পড়তে হয়।