জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি এলাকায় ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে সাতজনকে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকাসহ আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন বিএনপির কর্মীরা। তবে জামায়াতের দাবি, আটক ব্যক্তিরা তাদের দলের কেউ নন; তাদের জামায়াত কর্মী সাজিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
বুধবার রাতে উপজেলার নরুন্দির মিরাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সামনে অটোরিকশায় বসা অবস্থায় তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— শফিকুল ইসলাম, মামুন মিয়া, হুসনুছ, শাহাদাৎ, রেফাজ উদ্দিন, ওসমান গনি, সাইফ আল মাসুদ আপন ও জয় আহমেদ।
বিএনপির দাবি, তারা জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন। আটক ব্যক্তিদের সবার বাড়ি সদর উপজেলার চর শ্রীপুর ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামে।
জামায়াতের জেলা প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জাকিউল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের কেউ জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। তিনি বলেন, ‘তাদের জামায়াত কর্মী সাজিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের বাড়ি শ্রীপুর ইউনিয়নে, আর বিএনপির কর্মীরা নরুন্দি ইউনিয়নে সাতজনকে আটক করে জামায়াতের কর্মী বলে দাবি করছে।’
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মশিউর রহমান দাবি করেন, জামায়াত প্রার্থী আব্দুস সাত্তারের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তার লোকজন ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন। এ সময় বিএনপির কর্মীরা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজিবুর রহমান বলেন, বিএনপির কর্মীরা ফোন করে জানান, নরুন্দির মিরাপাড়ায় ভোট কেনার সময় জামায়াতের সাতজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের কাছে জামায়াত প্রার্থীর কোনো লিফলেট বা ভোটের স্লিপ পাওয়া যায়নি। তারা জামায়াত কর্মী কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল কোর্টে সোপর্দ করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

