নির্বাচন পরিচালনায় পক্ষপাতমূলক আচরণ ও অপরাধের জড়িত থাকার দায়ে বগুড়া চেম্বারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানাকে নির্বাহী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতুন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর আগে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে একটি প্যানেলকে বিজয়ী করতে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিশে করে বগুড়া চেম্বারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা নির্বাচরণী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে একটি প্যানেলকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছেন এমন অভিযোগ করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
শুক্রবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে সেলিম-এরশাদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মো. সেলিম রেজা ৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে অবিলম্বে পরিচালনা কমিটি বাতিল করে নতুন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবি জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি শুরু থেকেই পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। একটি প্যানেলের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। একই প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোটারদের নিয়ে ভোজসভার আয়োজন করা হচ্ছে । এসব বিষয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নিকট অভিযোগ দিলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, সবশেষ ভোটার আইডি কার্ড বিতরণ নিয়ে চরম অনিয়ম করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। একটি প্যানেলকে ভোটের আগেই বিজয়ী করতে উঠেপড়ে লেগেছেন তারা। ভোটার আইডি কার্ড ভোটারকে নিজে উপস্থিত হয়ে সংগ্রহ করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হলেও উক্ত প্যানেলের পক্ষ থেকে দুইজনের স্বাক্ষরে প্রায় ৬ শতাধিক ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলন করা হয়েছে। এমনকি ওই প্যানেলের পক্ষ থেকে মোবাইলে মেসেজ দিয়ে ভোটারদেরকে তাদের নিকট হতে কার্ড সংগ্রহ করতে বলা হচ্ছে।
এ অভিযোগে শনিবার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোছা. আছিয়া খাতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন এবং নির্বাচনী দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদান করেন।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

