আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ভোলা-২

মাঠে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিএনপির একাধিক প্রার্থী

তামিম ইসলাম, বোরহানউদ্দিন (ভোলা)

মাঠে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব বিএনপির একাধিক প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোলা-২ আসনে গণসংযোগসহ নানা কর্মসূচি শুরু করেছেন পাঁচ রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনি প্রচারে বিএনপির একাধিক প্রার্থী মাঠে সক্রিয় থাকলেও জামায়াতে ইসলামী থেকে রয়েছেন একক প্রার্থী। পিছিয়ে নেই খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও। রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন তারা। এছাড়া মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অনুপস্থিতিতেও তাদের অনুসারীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসনটিতে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে কাজ করছেন সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। দলের দুর্দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকায় তারাও তার পক্ষে নির্বাচনি মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তিনি দলীয় কর্মীদের নিয়ে পথসভা, লিফলেট বিতরণসহ গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভরসা তাকে ঘিরেই। আগামী নির্বাচনে হাফিজ ইব্রাহিমকেই প্রার্থী হিসেবে চাইছেন বিএনপি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে মনোনয়নের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন আরো অনেকে। এদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর এম আলম, অ্যাডভোকেট এবিএম ইব্রাহিম খলিল ও অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন।

অ্যাডভোকেট এবিএম ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমি বোরহানউদ্দিন-দৌলতখানের মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের কাছে ভালো লাগে।

অন্যদিকে, আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পেয়েছেন শিক্ষাবিদ মুফতি মাওলানা ফজলুল করিমÑযিনি রাজনৈতিক মাঠে কর্মীদের নিয়ে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সময় পথসভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের একক প্রার্থী মাওলানা রেজাউল করিম বোরহানী। তিনি বিভিন্ন সভা ও সম্মেলন করে মাঠে সক্রিয় আছেন।

খেলাফত মজলিসের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর মাঠে-ময়দানে নির্যাতিত মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব ।

ভোটাররা জানান, গত ১৬ বছর স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারকে দেখেছি। নির্যাতন ও গায়েবি মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছি। ভবিষ্যতে আমরা এরকম অত্যাচারী সরকার আর দেখতে চাই না। আমাদের ভোট আমরা যোগ্য প্রার্থীকেই দেব।

১৯৯১ ও ৯৬ সালে এখান থেকে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। ২০০১ সালে আসনটিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম। ২০০৮ সালে আবার নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদের ভাতিজা আলী আজম মুকুল।

আগামী নির্বাচনে আসনটি বিএনপির দখলে আসবে বলে বিশ্বাস দলটির নেতাকর্মীদের।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন