মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য দখলে নেওয়া আরকান আর্মির (এএ) সঙ্গে টানা চার দিনের সংঘর্ষে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল দিবাগত রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দুপক্ষের ব্যাপক গুলিবিনিময়ে সীমান্ত এলাকা কেঁপে ওঠে।
রোববার ভোর ৬টা পর্যন্ত গুলিবিনিময় চলছিল। সকালে আরকান আর্মি রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের নিশানা করে কয়েকটি ড্রোন হামলা চালায়। এতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা পিছু হটলে আরকান আর্মি তাদের তাড়া করে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে অনুপ্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে হুজাইফা সুলতানা আফনান (৯) গুলিবিদ্ধ হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে এমএসএফ হাসপাতাল, পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেকে পাঠানো হয় ।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা যায়, গুলিবিদ্ধ হুজাইফা এখনো জীবিত আছে বলে জানিয়েছেন পিতা জসিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘আমার হুজাইফা সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে বাড়ির সামনে খেলছিল। একপর্যায়ে আরকান আর্মি বেড়িবাঁধের ওপরে এসে এলোমেলো গুলি ছোড়ে। এতে আমার মেয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।’
পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা যায়, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ৫৩ জন সদস্য পালিয়ে আসার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। তাদের মধ্যে তিন-চারজন গুলিবিদ্ধও রয়েছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।
পরিস্থিতি আপাতত শান্ত । সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে সড়ক অবরোধ তুলে নিয়েছে জনতা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

