পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, নদী ভাঙন রোধে লক্ষ্মীপুরের ৬২ কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ যাতে সম্পূর্ণ হয় সে দিকে আমাদের নজর থাকবে। আমরা দেশপ্রেমিক সরকার। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কাজগুলো সম্পূর্ণ করবো। আমাদের এ অঞ্চলের নদী ভাঙা মানুষের যেটা প্রয়োজন, সে কাজগুলো আমরা যেন তাদের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি, তাদের সুবিধার জন্য, জনস্বার্থে কাজগুলো আমরা সম্পূর্ণ করবো।
শনিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া গ্রামে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা উপকূলীয় অঞ্চলের লোক। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা এখানে বেঁচে আছি। যখন বর্ষা আসে তখন প্লাবন ও বন্যার স্রোত দেখা দেয়। মজুচৌধুরীর হাট থেকে কমলনগর রামগতি বয়ারচর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এলাকার অনেক জায়গায় বাঁধ না থাকার কারণে মানুষ বাড়িঘর হারিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জায়গা জমি হারিয়ে নিঃশ্বেস হয়ে গেছে। অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। পানিতে উৎপাদিত ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে এখানে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে থাকতে হচ্ছে। কোনভাবে আমরা এখানে জীবনধারণ করে আছি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমরা উপকূলীয় অঞ্চলের লোক। প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা এখানে বেঁচে আছি। যখন বর্ষা আসে তখন প্লাবন ও বন্যার স্রোত দেখা দেয়। মজুচৌধুরীরহাট থেকে কমলনগর রামগতি বয়ারচর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এলাকার অনেক জায়গায় বাঁধ না থাকার কারণে মানুষ বাড়িঘর হারিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জায়গা জমি হারিয়ে নিঃশ্বেস হয়ে গেছে। অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। পানিতে উৎপাদিত ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে এখানে প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে থাকতে হচ্ছে। কোনভাবে আমরা এখানে জীবনধারণ করে আছি।
এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

