জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রধান মুখপাত্র ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ঘোষণাপত্রে কোন ব্যক্তি গোষ্ঠীর দায়ভার না রেখে সর্বস্তর পেশার মানুষের কথা উল্লেখ করতে হবে। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার হাত ধরে যে স্বাধীনতা এসেছে, সেই স্বাধীনতায় আমরা জাতির সামনে ঘোষণাপত্রে পেশ করতে বদ্ধপরিকর। আশা করছি সরকারও এনিয়ে কোন ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি করবেন না।
শুক্রবার জুলাই ঘোষণাপত্রের পক্ষে জনমত গঠনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে ভোলা শহরের ইলিশ চত্বরে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস বলেন, গত ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের পতনের মধ্য দিয়ে যে বিষয়টি আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়েছে এবং ভোলার মানুষের সাথে কথা বলে আমি যেটি জানতে পেরেছি তা হচ্ছে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ খুনি হাসিনার ফাঁসি চায়। এ সকল বিষয়গুলো ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট থাকতে হবে।
তিনি বলেন, দূরত্ব দিয়ে কোন জেলাকে মূল্যায়ন করা যাবে না। এই জেলায় পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। সে সকল পুলিশ ও পুলিশ সুপারকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। ৭০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে যদি পদ্মাসেতু করা যায় তাহলে ৫-১০ কোটি টাকা খরচ করে ভোলায় সেতু করা যাবে না কেন গ্যাস সমৃদ্ধ এই জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি। যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহদে দলের ঠিকমতো চিকিৎসা করা যায়নি সেক্ষেত্রে এই জেলাটিকে বিশেষ নজর দেয়ার কথাও বলেন তিনি। আমরা জাতীয় নাগরিক কমিটির মাধ্যমে ভোলাবাসীর প্রাণের কথাগুলো পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব।
এসময় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করাসহ বিপুল পরিমাণ ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

