বরিশালে মাদকদ্রব্যের অভিযানে আটক এএসআই থানা থেকে উধাও

বরিশালে মাদকদ্রব্যের অভিযানে আটক এএসআই থানা থেকে উধাও

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে নারীসহ আটক হওয়ার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) থানা থেকে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর কৌশলে তিনি থানা থেকে চলে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম দেলোয়ার হোসেন (৩৮)। তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি খুলনা সদরের শেরেবাংলা রোড এলাকায়। মো. সাখাওয়াত হোসেন সিকদারের ছেলে।

শুক্রবার সকালে বিমানবন্দর থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে দেলোয়ার হোসেনকে আর থানায় পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তাঁর পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পালাননি, হয়তো লোকলজ্জা কিংবা ভয়ে নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকায় নামধারী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ওই বাড়ি থেকেই পুলিশের এএসআই দেলোয়ারসহ চারজনকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এএসআই দেলোয়ার ছাড়াও ওই অভিযানে আটককৃতরা হলেন—বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার ভট্টখামার নোয়াপাড়া এলাকার আবু সাঈদ মোল্লার মেয়ে ফাতেমা আক্তার নুরজাত (২৬), বরিশাল সদরের দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার মৃত এম এ বারীর ছেলে ও কথিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিরাজুল ইসলাম (৩৪) এবং বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর এলাকার হেমায়েত গাজীর ছেলে নাহিদ হাসান (৩০)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, আটকের পর এএসআই দেলোয়ার হোসেনসহ আটককৃতদের বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে থানা থেকেই ওই পুলিশ কর্মকর্তা পালিয়ে যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন