ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানা যুবদলের অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আফসার নামে এক যুবদল নেতাকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত শনিবার রাতে দক্ষিণ আইচা বাজারের চৌধুরী মার্কেট ভবনের নিচতলায় অবস্থিত থানা যুবদলের অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
আহত আফসার চরমানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি এবং ওই ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ মুন্সির ছেলে। তিনি পেশায় একজন তরমুজ চাষি।
অভিযুক্তরা হলেন একই ওয়ার্ডের তোফাজ্জল মাতব্বরের ছেলে নূর নবী, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহাজল সিকদারের ছেলে আবদুস শহিদ ভুট্ট ও সাইদের ছেলে রবিউলসহ আরো ২০-৩০ জন।
থানার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আফসার ও কয়েকজন চর আইচা মৌজার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে তরমুজ চাষ করেন। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা যুবদল অফিসে ঢুকে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু আফসার ও অন্য চাষিরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
তখন অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় যুবদল অফিসের প্রায় ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা। হামলায় আহত আফসারকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দক্ষিণ আইচা থানা যুবদল সভাপতি ইকবাল হাওলাদার আমার দেশকে বলেন, অফিসে বসে থাকা অবস্থায় থানা যুবলীগের সদস্য নুরনবী মাতব্বরের নেতৃত্বে হঠাৎ ২০-৩০ জন প্রবেশ করে ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আফসারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের মালামাল ভাঙচুর করে।
অভিযুক্ত নূর নবী মাতব্বর জানান, চাষি আফসার আমাদের গালিগালাজ করায় আমরা রোষে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করেছি। এরপর তিনি কোনো মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
দক্ষিণ আইচা থানার (ওসি) আহসান কবির জানান, এ ঘটনায় একটি এজাহার পেয়েছি এবং তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

