পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদেরকে উস্কে দিচ্ছে ভারত: সারজিস

চট্টগ্রাম ব্যুরো

পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদেরকে উস্কে দিচ্ছে ভারত: সারজিস

বৈষম্য বিরোধীছাত্র আন্দোলনের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, ‘সেভেন সিস্টারকে সেইভ করার জন্য নিজেদের স্বার্থে ভারত ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দিয়েছে। চট্টগ্রামের সমুদ্র বন্দর, পার্বত্য এলাকা ও পাহাড়িদেরকে উস্কে দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

দুপুরে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের কনফারেন্স লাউঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিরোধ, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান ও বৈষম্যহীন কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আলম বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম বিবেক বেঁচে দেয়া দলান্ধ কোনো প্রজন্ম নয়। এই প্রজন্ম অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। গত ১৫ বছরে ভারতের আধিপত্যবাদ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চাপিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে দাসত্বের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খুনী শেখ হাসিনা খুনের বিষয়ে কোনো অনুসুচনা না করে ভারতের মদদে সেখানে বসেই এখনো দাম্ভিকতা প্রকাশ করে যাচ্ছে।

গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই বলেন, ‘বিগত দিনে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা নিজেদের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ব্যানারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলাম। কিন্তু এখন অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাদের সাথে বৈষম্য করা হচ্ছে। আমরা একটি সুন্দর দেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে বার বার বার্তা দেয়ার চেষ্টা করে আসছি।’

জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর আমীর আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার সাথে সাথে চট্টগ্রাম হুমকির সম্মুখীন। ভারত ৫৩ বছর নয় ৮৩ বছর পর্যন্ত ধ্বংসের চক্রান্ত করছে। ভারতের সাথে ১৭ চুক্তি করা হয়েছে ওই ১৭ চুক্তি কি আমরা তা জানিনা। আওয়ামী লীগ আধিপত্যবাদীদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওয়াদা দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে না। রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে উদ্ধার হতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

গোলটেবিল বৈঠক আরও বক্তব্যে রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. নাজিমুদ্দিন চৌধুরী, বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক ডা. এস এম সরোয়ার আলম, নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা আশরাফ মাহদী, গণ অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারী মুহাম্মদ ইউসুফ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম প্রমুখ।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন