নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রীর সামনে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধীদের হাতাহাতি

প্রতিনিধি, নোবিপ্রবি

নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রীর সামনে ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধীদের হাতাহাতি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।

বিজ্ঞাপন

জানাগেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে স্লোগান, পাল্টা স্লোগান, তর্ক-বিতর্ক এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্য শুরু করার পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা নোবিপ্রবির একাডেমিক ভবনসহ চলমান মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রকল্পগুলো সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হস্তান্তরের দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা এক দুই তিন চার আর্মি হবে ঠিকাদার স্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ হ ম এহছানুল হক মিলন তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করেন। এবং ছাত্রদলকে আরো সুশৃঙ্খল আচরণ করতে বলেন।

ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ বলেন, আমাদের দাবি স্পষ্ট আমরা তাদেরকে বলছিলাম তোমাদের যদি কোন দাবি থাকে সেটা স্মারক লিপি আকারে দাও।

তিনি আরো বলেন, এখানে জাহিদের গায়ে হাত দেওয়া হয় নাই। জাহিদ এগিয়ে ঝামেলা তৈরীর চেষ্টা করছিল। আমরা গিয়ে বুঝিয়েছিলাম যেন কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...