এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্টকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মগধরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ছউল্লার হাট এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে এই সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মগধরা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সোলাইমান বাদশার সঙ্গে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কুলসুম বেগম খেলনার দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সালিশি বৈঠক বসে।
এতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুরসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক চলাকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষ হাতাহাতি ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিনিয়র নেতারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
সংঘর্ষে যুবদল নেতা লালচাঁদ ও তাঁতি দল নেতা তাজুলসহ দুই পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন। এসময় দলীয় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সন্দ্বীপ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কুলসুম বেগম খেলনা আমার দেশকে জানান, শান্তিপূর্ণ আলোচনার একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ উস্কানিমূলকভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর ও নেতা সোলাইমান বাদশাকে একাধিকবার কল দিলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জায়েদ নূর আমার দেশকে বলেন, পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ায় পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

