কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে মাদক উদ্ধারের অভিযানে প্রবেশের পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার দুই পুলিশ সদস্য। তাদের মুক্তির বিষয়ে আটকের প্রায় ১৪ ঘণ্টা পরও কোনো চূড়ান্ত সুরাহা হয়নি।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তারা বিএসএফের হেফাজতে ছিলেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
আটক দুই পুলিশ সদস্য হলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান।
থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালনকালে শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ী এলাকার ২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলারসংলগ্ন স্থানে মাদক উদ্ধারের অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা পুলিশ সদস্যরা এক মাদক কারবারির উপস্থিতি টের পান।
পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তাকে ধাওয়া করতে গিয়ে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। পরে ভারতের স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেন। সহকর্মীকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে ডিউটি পার্টির ইনচার্জ এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করা হয়। এরপর থেকে দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে রয়েছেন।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, আটক দুই পুলিশ সদস্যকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভারতের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। দুপুর ১টার দিকে তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই দেশের প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছেন।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

