কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা আসামি ও যুবদল কর্মী শহিদুল্লাহ রাসেল (৪১) মারা গেছেন। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কারা পুলিশের অধীনে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শহিদুল্লাহ রাসেল লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের আটিটি খন্দকার বাড়ির আবুল হাসেমের ছেলে। তিনি পেরুল উত্তর ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
জানা যায়, গত ১০ মে বিকেলে উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের শাসনপাড়া গ্রাম থেকে ১০২ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে লালমাই থানা পুলিশ। গত ১১ মে বিকেলে আদালতের নির্দেশে শহিদুল্লাহ রাসেলকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান জানান, গত ১৯ মে কারা হাসপাতালের চিকিৎসক আসামির কাশিসহ নিউমোনিয়াজনিত রোগের ওষুধ দেন। গত ১৫ জুন আবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসক তাকে কিছু পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। পরদিন ১৬ জুন হাজিরা থাকায় তাকে আদালতে নেয়া হয়। ১৭ জুন সে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে সেদিনই বিকেল ৩টায় কার্ডিয়াক শক করলে চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, কারাগারে মারা যাওয়া শহিদুল্লাহ রাসেল যুবদলের নিবেদিত কর্মী। তার গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো অনিয়ম বা ষড়যন্ত্র হয়েছে কিনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

