চট্টগ্রামের পটিয়ায় টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় দর্শকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৪ জন। এতে শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাটি বন্ধ হয়ে যায়।
২৩ মার্চ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় পটিয়া উপজেলার ধলঘাট মুকুটনাইট বড়ুয়াপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন মো. খোরশেদ (২২), জুবায়েদ (২১), জিহান (২০) ও ওহিন (২৪)। এদের মধ্যে ধলঘাট এলাকার মোহাম্মদ মাহবুবের পুত্র মো. খোরশেদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলঘাট মুকুটনাইট বড়ুয়া পাড়া এলাকার স্থানীয়দের আয়োজিত একটি টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় বোয়ালখালী চরনদ্বীপ ফুটবল দল ও চন্দনাইশ উপজেলার একটি ফুটবল দল। খেলার শুরুতে চন্দনাইশ এক গোলে এগিয়ে যায়। খেলার শেষ হওয়ার কিছু সময় আগে বোয়ালখালী চরনদ্বীপ ফুটবল দল একটি গোল করলে সেটি রেফারি সানি বড়ুয়া বাতিল ঘোষণা করেন।
খেলা শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে দুই দলের দর্শকদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় দর্শকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হলে খোরশেদ, জুবায়েদ, জিহান ও ওহিনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়।
খোরশেদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
খেলার আয়োজক কমিটির সদস্য ও ফাইনাল খেলার রেফারি সানি বড়ুয়া বলেন, খেলায় কোনো সমস্যা হয়নি। দুই দলের দর্শকদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে মারামারির কারণে খেলা শেষ করা যায়নি। এ বিষয়ে আমরা দুই দলকে নিয়ে পটিয়া থানায় এসেছি। আশা করি সমাধান হয়ে যাবে।
গোল বাতিল করার বিষয়ে তিনি বলেন, এক দলের একটি গোল হওয়াকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি হয়। পরে সহকারী রেফারিদের সঙ্গে আলোচনা করে গোলটি বাতিল করা হয়। উভয় পক্ষ মেনে নেওয়ার পর খেলা পুনরায় শুরু হয়। কিন্তু খেলা শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে দর্শকদের মারামারি শুরু হলে খেলা পণ্ড হয়ে যায়।
পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ দেয়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

