সন্দ্বীপের সারিকাইত ইউনিয়নে শনিবার গভীর রাতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ জন মিলিয়ে মোট ৪৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে সন্দ্বীপ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। সন্দ্বীপ থানার ওসি সুজন হালদার আমার দেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে সারিকাইত ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জনৈক দিদারের বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযানে যায় সন্দ্বীপ থানার পুলিশের একটি দল। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছালে স্থানীয় মাদকচক্র ও তাদের অনুসারীদের একাধিক গ্রুপকে দেশি শস্ত্রে সজ্জিত দেখতে পায়। তাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের একপর্যায়ে উপস্থিত পুলিশের ওপরও অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে জানা যায় ।
এজাহারে উল্লেখ, হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার ও ৬ জনকে আটক করে।
আহত পুলিশ সদস্যের বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে ওসি সুজন হালদার জানান, ‘আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে। হামলায় পুলিশের এএসআই আপেল মাহমুদের কনুই এবং কাঁধে মারাত্মক জখম হয়েছে।’
পুলিশ জানায়, বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

