সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন কন্যা। তারা হলেন বিএনপি থেকে সানজিদা ইসলাম তুলি, নাদিয়া পাঠান পাপন ও জামায়াতে ইসলামী থেকে মারদিয়া মমতাজ।
জানা যায়, সানজিদা ইসলাম তুলি নবীনগর উপজেলার লাউরফতেহপুর গ্রামের হাজি মফিজুল ইসলামের মেয়ে। তিনি বাংলাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক ও ২০১৩ সালে গুম হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন।
তুলি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ (মিরপুর- শাহআলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে তার সাহসী লড়াই তাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত করেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।
নাদিয়া পাঠান পাপন বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা গ্রামের মরহুম আনোয়ার হোসেন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য সৈয়দা নাখলু আক্তারের মেয়ে। ২০০০ সালে তিনি চান্দুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমান বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পাওয়া ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ জেলা শহরের পাইকপাড়ার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মমতাজুল করীমের মেয়ে। তার পৈতৃক বাড়ি নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামে।
মারদিয়া মমতাজ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর বাইরে তিনি একজন প্রকৌশলী, গবেষক ও লেখক । বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

