লক্ষ্মীপুর শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়ে যান কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ নাহিদ রায়হানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুর শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্স, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য নিয়মকানুন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানে অপারেশন থিয়েটারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুমোদনের অতিরিক্ত শয্যা (বেড) রাখার দায়ে সিটি হাসপাতালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। লাইসেন্স ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া লাইসেন্স ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ মিটার না থাকায় আর এস ডেন্টাল এক্স-রে সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা এবং লাইসেন্স নবায়ন না করায় ডা. আউয়াল শিশু সার্জারি সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, রয়েল মেডিক্যাল সার্ভিসেসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা ও জনস্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

