চট্টগ্রাম এনসিপির মহানগর শাখার সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিনসহ পাঁচ নেতার বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন দলটির এক সহসাংগঠনিক সম্পাদক।
বুধবার চট্টগ্রাম আদালতে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আইনে এই মামলা করা হয়। মামলা আদালত গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার বাদী হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ, যিনি এনসিসির সহসাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনে হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ নিজেকে একজন জুলাই নেতা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর ও উসকানিমূলক তথ্য প্রচার করেছেন।
পিটিশনে বলা হয়, অভিযুক্তের পোস্ট জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাশাপাশি বাদীর ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।
বাদীর আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, আদালত মামলা নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি আরিফ মইনউদ্দিন সম্প্রতি এনসিপির ঘোষিত কমিটির সদস্যসচিব হন। মামলায় এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল হক টিপু, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হুজ্জাত উল্লাহ আবির, জাতীয় ছাত্র শক্তির সংগঠক সাদিক আরমান, সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব সজীব ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাইনুল হোসেনসহ ৮ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ জানান, ‘সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্টটির স্ক্রিনশট, লিংক ও ডিজিটাল ট্রেইল আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আমি ন্যায়বিচার পাব।’
তিনি বলেন, ‘আমাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করার জন্যই এই পোস্টগুলো করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন হবে বলে আশা করি।’
এই বিষয়ে প্রধান আসামি হিসেবে অভিযুক্ত আরিফ মইনউদ্দিনের মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

