চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২৫ কৃতি শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইউজিসির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সেশনের শিক্ষার্থীরা এ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৯ সেশনের শিক্ষার্থীরা হলেন—আরবি বিভাগের জোহাইর ফুরকান, বন ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মোহাম্মদ নূর আলী, ফাইন্যান্স বিভাগের তাসফিকা খানম, অর্থনীতি বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস, আইন বিভাগের উম্মে হাবিবা, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের তাহসিন শামস সাদিয়া, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোহাম্মদ নেওয়াজ জামিল, ওশানোগ্রাফি বিভাগের রাইয়ান আহমেদ এবং এমবিবিএসের আফসানা আক্তার।
২০২০ সেশনের শিক্ষার্থীরা হলেন—আরবি বিভাগের মোহাম্মদ আবদুল হালিম, বন ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের ইতামনি চাকমা, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের শাহরিন আক্তার, অর্থনীতি বিভাগের দিদারুল ইসলাম, ফার্মেসি বিভাগের মোহাইমিনুল্লাহ সরকার, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফাইরোজ আবিদা, ফিশারিজ বিভাগের মিতু রঞ্জন সরকার এবং এমবিবিএসের ইসরাত পারভীন।
২০২১ সেশনের শিক্ষার্থীরা হলেন—ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আশরাফুন নেসা, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তাহমিদুল ইসলাম আকিব, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের নুসরাত জাহান, অর্থনীতি বিভাগের মিন্টু বড়ুয়া, আইন বিভাগের তনিকা ইসলাম, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ফাহমিদা রহমান, সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান এবং এমবিবিএসের মো. আদিবুল হক নাফিস।
এ বিষয়ে চবির আরবি বিভাগের অধ্যাপক ও নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. ফরিদ উদ্দিন বলেন, চবির ২৫ শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য নির্বাচিত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এটি শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, তাঁদের পরিবার, বিভাগ এবং পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি বড় সম্মানের বিষয়। বিশেষ করে আরবি বিভাগের দুজন শিক্ষার্থী এই স্বীকৃতির অংশ হওয়ায় আমরা আনন্দিত।
প্রসঙ্গত, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি দিতে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক চালু করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে ২০০৫ সালে প্রবর্তিত এ পদকটি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষদে সর্বোচ্চ নম্বর বা সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে কৃতী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

