জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানের বাবা মাহবুবুল আলম বলেছেন, ‘পুলিশ নিজেদের জনগণের বন্ধু বললেও বাস্তবে তাদের আচরণে সঙ্গে মিল নেই। তারা যদি বন্ধু হতো, কখনো আমার ছেলের সাথে এরকম আচরণ করতে পারত না। তারা সম্পূর্ণ অপেশাদার, উগ্র আচরণ করেছে নাঈমের সাথে। জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার তার পরিচয় দিলেও তাকে তিনজন মিলে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। তার সাথে খারাপ আচরণ করা হয়েছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার ‘ এ ঘটনার পেছনে অন্য কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার চান্দগাঁওয়ের বাড়িতে নাঈম হাসানের বাবা মাহবুবুল আলম এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘যেসব পুলিশ এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত, তাদের ছাঁটাই করা উচিত। কারণ তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো একটি বাহিনী কলঙ্কিত হচ্ছে। তাদের ছাঁটাই করা না হলে পুলিশ প্রশাসনের কোনো পরিবর্তন হবে না। আমার ছেলের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার কোনো সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হলে আমরা ছেড়ে দিব না।’
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘দুইজন পুলিশ ও একজন সোর্স মিলে নাঈম হাসানকে পেটানো হয়েছে। সে পরিচয় দেওয়ার পরও তারা কর্ণপাত করেনি। তারা তাকে মেরে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এমনকি আশপাশের লোকজনও বলেছেন, নাঈম জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটার। তাকে যেন হেনস্তা করা না হয়। তার পরও তারা শোনেনি। থানায় নিয়েও তাকে হেনস্তা করা হয়। আমার ছেলে যখন কথা বলছিল, ওসি আরিফ বলছিল, চোখ নামিয়ে কথা বল।’
তিনি আরো বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল ও বোর্ডের ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ইসরাফিল খসরু বলেছেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে। পুলিশ যদি কোনো অ্যাকশন না নেয়, তাহলে আমরা ওপর থেকে ব্যবস্থা নেব।’
নাঈমের বাবা বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে থানায় মামলা করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে যা করার করেছি। এখন পুলিশের দায়িত্ব সঠিক ঘটনা তুলে এনে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। আমরা তাদের দিকে তাকিয়ে আছি।’
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

