আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

চট্টগ্রামে প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৮টায় জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৮টায় জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে

চট্টগ্রাম নগরীতে প্রথম ঈদ জামাত জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মসজিদের প্রধান পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক।

একই সময়ে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নগরীর জিমনেশিয়াম মাঠে আরেকটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ইমামতি করবেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা অধ্যক্ষ ড. সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান।

বিজ্ঞাপন

সরেজমিন নগরীর ওয়াসাসংলগ্ন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ঘুরে দেখা যায়, মসজিদের সামনের বিশাল মাঠে ঈদ জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। চসিকের সমাজকল্যাণ বিভাগ গত চারদিন ধরে প্যান্ডেল স্থাপনের কাজ করছে। ইতোমধ্যে সাদা, বেগুনি ও সবুজ রঙের শামিয়ানায় ঢেকে গেছে মসজিদ প্রাঙ্গণ। বাঁশের প্যান্ডেলের উপরে বিশাল ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বসার জন্য কার্পেটিং করা হয়েছে।

মসজিদের অজুখানার নলগুলো শেষবারের মতো পরীক্ষা করেন খাদেমরা। এছাড়া ওয়াশরুম ও সিঁড়িগুলো ধুয়েমুছে পরিষ্কার করা হয়। চারপাশে ৫০টি মাইক, ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। মুসল্লিদের যেন কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয় এবং বৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সব ব্যবস্থা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার সকালে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ পরিদর্শন করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিএমপি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো বলেন, ঈদে যেন চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা না ঘটে সেজন্য চসিক ৪১টি ওয়ার্ডে নিজস্ব লোকসহ স্থানীয়দের সমন্বয়ে কাজ করছে।

জানা গেছে, জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে নগরীর চারটি আসনের সংসদ সদস্য, চসিক মেয়র, বিএনপির কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতা, মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরা নামাজ আদায় করবেন। এটি নগরীর কেন্দ্রীয় মসজিদ হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসেন।

এটিই সরকারিভাবে প্রথম ও প্রধান ঈদ জামাত হিসেবে স্বীকৃত। এছাড়া জিমনেশিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারসহ সরকারি কর্মকর্তারা একই সময়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। তবে আশপাশের বাসিন্দারাও সেখানে নামাজ আদায়ের জন্য ভিড় করেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও জিমনেশিয়াম মাঠে দুটি ঈদ জামাত হয়ে আসছে। তবে আকারে বৃহৎ ও সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকায় জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করেন।

এছাড়া চসিকের তত্ত্বাবধানে লালদীঘির পাড়ে সিটি করপোরেশন শাহী জামে মসজিদ, নগরীর হযরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীননগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন