ঈদ উদযাপনে ঘরমুখো মানুষ ছুটছে। যানবাহনের তীব্র চাপ আর মানুষের ঢলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা দিয়েছে। চরম দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
বুধবার বিকেল থেকে গাজীপুরের শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটি পেয়েই এসব মানুষ নাড়ির টানে রওয়ানা হয়েছে।
দেখা গেছে, বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই গাজীপুরের ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় হাজার হাজার যাত্রী। উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার যাত্রীর চাপের যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। চন্দ্রা, খাড়াজোড়া থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার যানজট। অপরদিকে চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ৬ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে যানবাহন।
বাস যাত্রী আমান মিয়া বলেন, কেউ ঠিক মতো কাজ করছে না। এভাবে চলতে থাকলে যানজট বেড়ে ৫০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে।
দূরপাল্লার বাসের আরেক যাত্রী আল আমিন বলেন, অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছি। ধীরে ধীরে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬ ঘণ্টার সড়ক ১২ ঘণ্টায় শেষ হবে না।
হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, এখানে আমাদের দায়িত্ব নেই। যানজট দেখার জন্য অন্য পুলিশ রয়েছে।
নাম প্রকােশে অনিচ্ছুক এক নারী যাত্রী বলেন, বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় আছি। যানজটের কারণে গাড়িই আসছে না। এতেই ভাড়া বাড়িয়ে ফেলেছে পরিবহন মালিকরা। এখানে প্রশাসনের কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।
চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে এবং কয়েকটি পয়েন্টে দিনভর পুলিশ থাকলেও যানজট নিয়ে তাদের কাজ করতে দেখা যায়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

