চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী

চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের এক চালককে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মৌসুমী আক্তার চরজব্বর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পার্শ্ববর্তী সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ির পাশ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

নিহত অটোরিকশাচালকের নাম মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫)। তিনি কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের ফজল হক মিয়ার বাড়ির আক্কেল আলীর ছেলে।

নিহতের মেয়ে মৌসুমী বেগমের বরাত দিয়ে তার বান্ধবী পাকিজা আক্তার জানান, গত ২-৩ মাস আগে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা কিনেন রফিকুল ইসলাম। সোমবার বাড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে যান তিনি। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল করে বন্ধ পায়। পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার নুর ইসলাম মিয়ার বাড়ির পাশে স্থানীয় লোকজন তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় দড়ির দাগ ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ চরজব্বার ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ফেলে অটোরিকশা ও মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। সকালে এলাকাবাসী লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

এ ঘটনায় চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া সন্ধ্যা ৭টার সময় আমার দেশকে আমার দেশকে বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। লাশের গলায় গোলাকার দড়ি প্যাঁছানো কালো একটি দাগ আছে, বাম হাতের আঙুল থেতলানো, পিঠের পিছনে ফোলা জখম। মুখের মধ্যে কি দিয়ে, নাক-মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। অন্য কোন পদার্থ কিনা দেখা হচ্ছে।

ওসি আরো বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মৌসুমী আক্তার চরজব্বর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন