চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সব কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বন্দি পলায়ন, বিদ্রোহ ও বহিরাক্রমণসহ সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ চিহ্নিত করে তা নিরসনে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক (অপারেশনস) কর্নেল মেছবাইল আলম সেলিম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনাটি দেশের সব কেন্দ্রীয় ও জেলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার, জেল সুপার, বিভাগীয় কারা উপমহাপরিদর্শক এবং কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ড্যান্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ১৯ জুলাইয়ের কারা অধিদপ্তরের একটি নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠন করে কারাগারের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন কারা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের কারা ব্যবস্থার সার্বিক নিরাপত্তা সুরক্ষিত ও আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রতিটি কারাগারে একটি করে কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিতে সিনিয়র জেল সুপার বা জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ সিভিল ও গার্ডিং স্টাফদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
কমিটিকে কারাগারের অভ্যন্তর ও বহিরাংশের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সরেজমিন পরিদর্শন করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পেরিমিটার ওয়াল (সীমানাপ্রাচীর), বন্দী ভবন, ওয়ার্ড, ওয়াচ টাওয়ার, প্রধান ফটক, স্টোর, কারখানা, হাসপাতালসহ অন্যান্য অবকাঠামো।
পরিদর্শনের সময় বন্দি পলায়ন, বন্দি বিদ্রোহ, বহিরাক্রমণসহ সম্ভাব্য সব ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। প্রয়োজনে ছবি ও অন্যান্য প্রমাণ সংযুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণ করে তা নিরসনে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশও প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।
কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রতিবেদনটি আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

