দেশের রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে অবৈধ হুণ্ডি ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, বৈধ পথেই রেমিট্যান্স আনতে হবে। অন্যথায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে দেশ বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বে। অবৈধ হুন্ডি ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বুধবার দুপুরে নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফিনটেক কোম্পানি ও মানি ট্রান্সফার অ্যাপ ‘নালা’ এ সভার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতা জীবন ও রক্ত দিয়েছেন অন্যায়কে না বলার জন্য। অবৈধভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর মতো অন্যায় আর চলতে দেওয়া যায় না। এটি করলে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। এজন্য হুন্ডি ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে। বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের উদ্বুদ্ধ করতে পারে দেশের গণমাধ্যম।
তিনি আরও বলেন, সরকার ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়কে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজতর করতে হবে। প্রবাসে বাংলাদেশিদের চাকরি হারানোর বিষয়ে দূতাবাসগুলোকে ভাবতে হবে। তাদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কানাডায় প্রচুর নার্স ও হেলথ কেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্টের চাহিদা আছে। এর জন্য ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তুলতে হবে।
সভায় মূল বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা বৈধ চ্যানেলে দেশের রিজার্ভের মধ্যে না ঢুকলে সেটি কালো টাকা হিসেবে বিবেচিত। হুন্ডি অবৈধ চ্যানেল। এর সঙ্গে রিজার্ভের সম্পর্ক নেই। এক্ষেত্রে পথ দেখাতে পারে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমকর্মীদের চিন্তা সাধারণ মানুষের চেয়ে ভিন্নতর। সাধারণ মানুষ যা দেখতে পায় না তা গণমাধ্যমকর্মী তুলে আনেন, জনমত গড়ে তোলেন, জবাবদিহি নিশ্চিত করেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘নালা’ বাংলাদেশের হেড অব গ্রোথ মাহমুদুল হাসান।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

