সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন জয়ের উপর হামলার ঘটনায় আটকদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। হামলার ঘটনায় পুলিশ বায়েজিদ হাসান, মুবিন, শাকিব সরকার ও জনি নামে চারজনকে আটক করলেও পরে তাদের ছেড়ে দেয়। এতে করে রূপগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহরে অবস্থিত বাণিজ্য মেলায় গত শুক্রবার হামলার ঘটনা ঘটে। শনিবার (১ জানুয়ারি) হামলার শিকার যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন জয় ঈগলু আইসক্রিম কোম্পানির স্টাফসহ পাঁচজনকে নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৬ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
যমুনা টিভির রূপগঞ্জ প্রতিনিধি জয়নাল আবেদিন জয় অভিযোগ করেন, মেলায় গত ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে প্রবেশ টিকিট না কেটে ঈগলু আইসক্রিম ষ্টলের কর্মচারীর মেলায় জোরপূর্বক প্রবেশ করতে গেলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ভিডিও জার্নালিষ্ট আহমেদ জুলহাস মোবাইলে ভিডিও করতে গেলে ঈগলুর কর্মচারীরা মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে।
এ সময় ঘটনা জানতে জয় সেখানে গেলে ঈগলুর ১৫ থেকে ২০জন কর্মচারী তার উপর চড়াও হয়। হামলাকারীরা জয়নাল আবেদীন জয়কে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে। তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে ঈগলুর কর্মচারীদের হাতাহাতির ঘটনা ধারণকরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ভাংচুর করে। তার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা চলে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ হামলার শিকার জয়নাল আবেদীন জয়কে উদ্ধার করে। পরে তাকে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঈগলুর ষ্টোর সহকারী সাকিব হোসেন(২৭), মার্কেটিং ম্যানেজার মবিন হাসান(২৬) ও ট্রেড সেলস ম্যানেজার বায়েজীদ হাসানকে(৩১) এবং নিউ মার্কেটের কর্মচারী জনিকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতেই আটক চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
রূপগঞ্জ থানা ওসি লিয়াকত আলী বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

