ফরিদপুরে ঢাকা-যশোর হাইওয়ের কানাইপুর বাজারে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন ২০ জন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা দামোদর থানাধীন পীরপুর গ্রামের সহিরুদ্দিন শেখের ছেলে আতিয়ার শেখ (৫৫), বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার চালিতা বুনিয়া গ্রামের রবি শ্যাম চন্দ্র দাসের ছেলে রঞ্জিত দাস (৫২), নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার বৈকণ্ঠপুর গ্রামের আ. মজিদের স্ত্রী সুবর্না আক্তার (২৩)।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ওসি চৌধুরী সালাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিল এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে ফরিদপুর হাইওয়ে পুলিশের সার্কেল এসপি মো. মারুফ হাসান রয়েল পরিবহনের অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোকে দায়ী করে বলেন, অনেক সময় যাত্রীদের চাপে পড়ে ড্রাইভার জোরে গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। ড্রাইভার ও যাত্রীদের সচেতন হতে হবে। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। স্পিড গান ব্যবহার করে নির্দিষ্ট গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য নিয়মিত মামলা করা হচ্ছে। আজকের দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে মাদারীপুর রিজিয়ানের এডিশনাল ডিআইজি মো. শাহিনুর আলম খান জানান, আমরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে রাস্তায় চলাচলের বিষয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। জনগণ এবং চালক উভয়ের সচেতনতার মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

