সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক খানাখন্দে মরণফাঁদ

ফজলে রাব্বী সোহেল, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক খানাখন্দে মরণফাঁদ
খানাখন্দে ভরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। আমার দেশ

টানা বর্ষণে সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে খানাখন্দের কারণে বিভিন্ন অংশ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনার পাশাপাশি বাড়ছে ছিনতাই আতঙ্কও।

জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা, মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১৪ কিলোমিটারের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে ছোট ছোট গর্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চলাচলের ফলে সৃষ্ট গর্তগুলো এখন যানবাহনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ভারী বর্ষণে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গর্তের গভীরতা বুঝতে না পারার কারণে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

বিজ্ঞাপন

কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনে গর্তগুলো এড়িয়ে চলা গেলেও রাতে পথ চলতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন জানান, গাড়ির চাকা একবার গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। মহাসড়কের মেরামতকাজ দায়সারাভাবে করা হলে কার্পেটিং তো উঠে যাবেই। তার উপর আছে ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম।

এ ব্যাপারে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এরই মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের জন্য ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব হবে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন